অর্থনীতি ডেস্ক: সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ৯ম পে-স্কলের নতুন বেতনকাঠামোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বিকেলে মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়।
এর আগে সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি প্রথম থেকে ২০তম গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল।
৯ম জাতীয় পে-স্কেলের সংশোধিত মূল বেতন (Basic Salary) মূলত ৩টি ধাপে কার্যকর করা হবে. দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণের স্বার্থে সরকার সম্পূর্ণ বেতন একসঙ্গে বৃদ্ধি না করে ২টি অর্থ-বছরে এই ৩টি ধাপ সাজিয়েছে।
১ম ধাপ (১ জুলাই, ২০২৬): নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পর প্রথম ধাপে মূল বেতনের ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি করা হবে। যেহেতু এটি ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হচ্ছে, তাই চাকরিজীবীরা বিগত মাসের বকেয়াসহ এই বর্ধিত বেতন পাবেন।
২য় ধাপ (১ জানুয়ারি, ২০২৭): দ্বিতীয় দফায় সংশোধিত মূল বেতনের আরও ৩৫ শতাংশ যুক্ত করা হবে।
৩য় ধাপ (১ জুলাই, ২০২৭): নতুন অর্থ-বছরের শুরুতে শেষ ধাপে মূল বেতনের অবশিষ্ট ৩৫ শতাংশ চালু করা হবে। এই ধাপটি সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যমে সংশোধিত মূল বেতনের সম্পূর্ণ ১০০% অংশ কার্যকর হয়ে যাবে।
ভাতা কার্যকরের সময়সীমা: মূল বেতন ৩টি ধাপে দেওয়া শেষ হওয়ার পর, পরবর্তী অর্থ-বছরের ১ জানুয়ারি, ২০২৮ থেকে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও যাতায়াতের মতো সংশোধিত অন্যান্য সব ভাতা চূড়ান্তভাবে কার্যকর করা হবে বলে জানা গেছে।

কমিটি তখন দুই ধাপে বেতন বৃদ্ধি বাস্তবায়নের কথা বলেছিল। এর মধ্যে প্রথম বছরে মূল বেতন এবং দ্বিতীয় বছরে বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা কার্যকর হতে পারে বলে আলোচনা ছিল।
সরকারের ১৮০ দিন উপলক্ষে গৃহীত কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত ‘জনগণের সরকারের ১৮০ দিন’ শীর্ষক ই-বুক এ ‘নবম পে–স্কেল: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বড় সুখবর’ শীর্ষক উপশিরোনামে নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি তুলে ধরা হয়।




