নিউজ ডেস্ক : এক সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের দুই সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির ও ইব্রাহিম খোকন প্রতিবাদসূচক কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তাঁরা এনসিটি চুক্তি বাতিলসহ সরকারের পদক্ষেপ প্রত্যাহারের দাবি তুলেছেন এবং স্বার্থবিরোধী এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার থেকে ২৪ ঘণ্টার এবং বুধবার থেকে অনির্দিষ্টকালীন ধর্মঘট পালন করছেন।
এ আন্দোলনের ফলে প্রধান জেটিতে জাহাজে পণ্য ওঠানামা বন্ধ থাকায় চট্টগ্রাম বন্দর প্রায় সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে জেটি ও বহির্নোঙরে ৯৮টি জাহাজ পণ্য খালাসের অপেক্ষায় অবস্থান করছে। এর মধ্যে অন্তত ৩২টিতে চাল, ডাল, চিনি-তেলসহ খাদ্যপণ্য রয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ উদ্বিগ্ন। পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক জানিয়েছেন, রমজানের আগে এ ধরনের কর্মসূচি দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে; তিনি শ্রমিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন এবং তা না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এই পরিস্থিতিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ১৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পায়রা ও মোংলা বন্দরে বদলি করেছে।
বদলিপ্রাপ্তদের মধ্যে আন্দোলনের দুই সমন্বয়কও রয়েছেন, যাঁরা বিএনপি সমর্থিত ‘জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল’-এর শীর্ষ নেতা হিসেবে পরিচিত। তারা নতুন কর্মস্থলে যোগ না দিয়ে আন্দোলন জোরদার করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
সংগঠক ইব্রাহিম খোকন জানিয়েছেন, এনসিটির চুক্তি প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন আরও কঠোর হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সোমবারের কোনও আপডেট ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেনি। ২৪ ঘণ্টার ধর্মঘট বন্দর কার্যক্রম বন্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে, যা আমদানি-রপ্তানি ক্ষেত্রে সামগ্রিক নেটওয়ার্ক সাপ্লাই চেইনে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ




