ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeলিডআরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় হবে ‘বিলিয়ন ডলার’: মার্কিন দূত

আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনবে বাংলাদেশ, ব্যয় হবে ‘বিলিয়ন ডলার’: মার্কিন দূত

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা : বাংলাদেশ আগের ক্রয়াদেশের বাইরে আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে সম্মত হয়েছে এবং এ জন্য ‘বিলিয়ন ডলার’ ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক মার্কিন বিশেষ দূত সার্জিও গোর।

রোববার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মধ্যে এ বিষয়ে একটি ‘অসাধারণ চুক্তি’ হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সার্জিও গোর তাঁর পোস্টে বলেন, চলতি সপ্তাহে ট্রাম্প ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আরেকটি ‘অসাধারণ চুক্তি’ হয়েছে। এতে বাংলাদেশ আরও বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং আগের ক্রয়াদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে।

তবে গোরের পোস্টে অতিরিক্ত কতটি উড়োজাহাজ কেনা হবে, কোন মডেলের উড়োজাহাজ কেনা হবে বা মোট চুক্তিমূল্য কত—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার বা বোয়িংয়ের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এর আগে এ বছরের এপ্রিলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর আধুনিকায়নে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়েছিল। ওই ক্রয়াদেশে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স উড়োজাহাজ রয়েছে। ১৪টি উড়োজাহাজের তালিকামূল্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বলে জানানো হয়েছিল।

এর আগে ২০২৫ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনার সময় বাংলাদেশের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার পরিকল্পনা ১৪টি থেকে বাড়িয়ে ২৫টিতে নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। গোরের সর্বশেষ বক্তব্যে সেই ক্রয়াদেশ আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। তবে নতুন করে কতটি উড়োজাহাজ যুক্ত হচ্ছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

সার্জিও গোর তাঁর পোস্টে ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির প্রশংসাও করেন। তিনি ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের ‘সর্বশ্রেষ্ঠ কর্মসংস্থান সৃষ্টিকারী প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং তাঁর প্রশাসনের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

গোর বর্তমানে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পাশাপাশি দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূতের দায়িত্ব পালন করছেন। গত ৩০ জুলাই তিন দিনের সফরে তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন। সফরের শেষ দিনে তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular