নিজস্ব প্রতিবেদক : পতিত আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদের দোসর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের আপন বড় ভাই রফিকুল আলম চুন্নুর পারিবারিক গুপ্তধনের মালিক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ তরিকুল ইসলাম, আর্টিকেল স্ট্রাকচার লিমিটেড’ ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
মোঃ তরিকুল ইসলাম, ইসিবি চত্বর পল্লবী এর বিরুদ্ধে এর দুর্ণীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয় বহির্ভূত কয়েক হাজার কোটি অবৈধ সম্পদ অর্জণ ও অর্থপাচারে করেছে বলে দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযাগ জমা পড়েছে।
অভিযোগে জানা যায়, আর্টিকেল স্ট্রাকচার লিমিটেড এর চেয়ারম্যান ছিল পতিত আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদের দোসর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফের আপন বড় ভাই রফিকুল আলম চুন্নুকে । মাহবুব-উল আলম হানিফের ক্ষমতা ব্যবাহার করে মিরপুর ডিওএইসএস এর আশেপাশে শত শত বিঘা জ্ঞাত আয় বহির্ভূত টাকা দিয়ে জমি ক্রয় করেছে। হাজার হাজার কোটি টাকার আয়ের কোন উংস আর্টিকেল স্ট্রাকচার লিমিটেড’ এর কাছে নেই। আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদের সরকারে মন্ত্রী এমপি, আমলা পুলিশ ও অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তাদের অবৈধ্য টাকা সাদা করার মেশিন ছিল আর্টিকেল স্ট্রাকচার লিমিটেড। এই কাজ ইঞ্জিনিয়ার মোঃ. তরিকুল ইসলাম, তাদের কাছ থেকে মোটা অংকের কমিশন গ্রহন করে।
ইঞ্জিনিয়ার মোঃ. তরিকুল ইসলাম নাম ব্যবহার করে কিন্তু তার ইঞ্জিনিয়ার এর সাটিফিকেটি জাল। তরিকুল ইসলাম, ডিগবাজে উস্তাদ। ৫ আগস্টের পর ডিগবাজি দিয়ে বিএনপি জামাতের নেতাদের সাথে যোগাযোগ করে নতুন চেয়ারম্যান নিযোগের পায়তারা করছে।
তরিকুল ইসলাম এর সম্পাদের পরিমান তিন হাজার কোটি টাকা। মাহবুব-উল আলম হানিফের ক্ষমতা ব্যবহার করে ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা ও ভাষানটেক এলাকায় মূলবান জমি দখল করে নিয়েছে । নাম মাত্র বায়না করে শত শত বিঘা দখল করেছ। এই সব দখল করা জমি জায়েজ করার জন্য বিএনপির সেলটার নেওযার চেষ্ঠা করছে।
মোঃ. তরিকুল ইসলামের ব্যবসায়িক পাটনার অনলাইন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খাঁন মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান। খাঁন মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান ঢাকা সেনানিবাসের মাটিকাটা ও ভাষানটেক এলাকায় সব চেয়ে বড় ভুমি খাদক। খান মোহাম্মদ আক্তার ও মোঃ. তরিকুল ইসলাম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এস এস এফ বাহিনীর প্রধানের সহযোগীতায় ঢাকা সেনানিবাসের আশে মানিকদি, মাটিকাটা ও ইসিবি চত্বর এলাকায় রামরাজত্ব কায়েম করে। খান মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান পাঁচ হাজার কোটি টাকার সম্পদ বানিয়েছে মাত্র কয়েক বছরেই। খান মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান দুদুক অনুসন্ধান চলমান ও মামলা দায়ের করার প্রস্থুতি চলছে।
ইসিবি চত্ত্বর এলাকায় আর্টিকেল স্ট্রাকচার লিমিটেড নামে প্রায় ত্রিশটি সাইনবোড রয়েছে।আর্টিকেল স্ট্রাকচার লিমিটেড নামে রয়েছে তার বিশাল জমি ও ফ্লাট ব্যবসা। এখানে রয়েছে তার ২০ (বিশ) একর জায়গা। প্রতি কাটা জমির দাম এক কোটি টাকা । এই জমির বাজার দাম তিন হাজার কোটি টাকা।
তদবিরবাজ, প্রতারক, জালিয়াতির আমলনামায় সেরা ইঞ্জিনিয়ার মোঃ. তরিকুল ইসলাম ওই এলাকার সর্বত্র ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। কেউ জমি বিক্রি করতে চাইলে তিনি নামমূল্যে ভুয়া চেক দিয়ে জমি বায়না করে দখল করে। অর্থপাচার, জালজালিয়াতি ও অন্যের জমি দখলের মাধ্যমে অবৈধ সম্পদ অর্জণের এবং হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন।
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন মানিকদী, মাটিকাটা, ভাষানটেক এলাকার ত্রাস হিসেবে পরিচিত ইঞ্জিনিয়ার মোঃ. তরিকুল ইসলাম । মানিকদী, মাটিকাটা এলাকার অর্ধশত পরিবারের বহু জমি অবৈধভাবে দখল করে নিয়েছেন তিনি। অবৈধ দখলের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ বিদেশে মানি লন্ডারিং করে দেশে ও বিদেশে অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস, ইসিবি, মাটিকাটা, মানিকদি এলাকার সাধারণ জমির মালিকদের কাছে এক আতংকের নাম আক্তার। কেউ বাঁধা দিলে চাইলে শুরু হয় মিথ্যা ও গায়েবী মামলা দিয়ে হয়রানী।




