নিউজ ডেস্ক : ইরানের বিরুদ্ধে হুমকিসূচক বক্তব্যের পর মার্কিন রাজনীতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে নতুন করে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে।
কয়েকজন প্রভাবশালী রাজনীতিক তাঁর ভাষা ও অবস্থানকে অস্বাভাবিক এবং উদ্বেগজনক বলে বর্ণনা করেছেন।
তাদের মতে, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার জন্য দেওয়া সময়সীমা, ইরানের জ্বালানি ও অবকাঠামোয় হামলার ইঙ্গিত এবং আক্রমণাত্মক শব্দচয়ন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক স্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
সমালোচকদের অভিযোগ, তিনি কূটনৈতিক ভাষার বদলে উত্তেজনা বাড়ানোর পথ বেছে নিচ্ছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বিপজ্জনক পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিতে পারে।
এই বিতর্কে সবচেয়ে সরব হয়েছেন ডেমোক্র্যাট সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স ও ক্রিস মারফি। স্যান্ডার্স ট্রাম্পের বক্তব্যকে বিপজ্জনক ও মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন বলেছেন। মারফি পর্যন্ত সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী নিয়ে আলোচনা শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। সাবেক ট্রাম্প সমর্থক মার্জোরি টেলর গ্রিনও বলেছেন, ট্রাম্প এখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন।
তবে ট্রাম্পশিবির এসব মন্তব্যকে রাজনৈতিক আক্রমণ বলে উড়িয়ে দিচ্ছে। তারা বলছে, ইরান সংকটে কড়া অবস্থান নেওয়ায় প্রতিপক্ষ তাঁকে হেয় করার চেষ্টা করছে। ফলে মার্কিন রাজনীতিতে উত্তাপ আরও বেড়েছে, আর এ বিতর্ক বড় ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।-
বিশ্লেষকেরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট ও মিত্রদের সঙ্গে টানাপোড়েনের ভেতরে এমন মন্তব্য ট্রাম্প প্রশাসনের কূটনৈতিক চাপ বাড়িয়েছে এবং বিরোধীদের হাতে নতুন রাজনৈতিক ইস্যু তুলে দিয়েছে। রাজনীতির মাঠে সেটি আরও স্পর্শকাতর হবে।




