• ঢাকা
  • সোমবার, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১৬ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

উন্নয়নের জন্য মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি: স্পিকার


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:০৩ পিএম
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী
স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী

নিউজ ডেস্ক:   যে কোনো উন্নয়নের জন্য সবার আগে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।  বুধবার 'বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ' (বিস্‌) আয়োজিত 'একুশ শতকের মানবাধিকার' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাজধানীর পুরনো এলিফ্যান্ট রোডে বিস্‌ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় এই সেমিনার। সেমিনারে স্পিকার বলেন, যে কোনো উন্নয়নের জন্য মানবাধিকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও মানবাধিকারের রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। আর আমরা তথা বাংলাদেশ মানবাধিকারকে যেমন সুরক্ষা দেয়, তেমনি প্রমোটও করে। মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সব সময়, সব অবস্থায় প্রস্তুত। তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষ স্বাধীন হয়ে জন্মগ্রহণ করে। আর তার জন্মগত অধিকার কখনোই হরণ করা যাবে না। বিশেষ করে কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়া মানুষের মানবাধিকার কেউ কেড়ে নিতে পারে না। এছাড়া আমাদের সংবিধানও মানবাধিকার সুরক্ষা নিশ্চিত করেছে। বঙ্গবন্ধু মানুষের অধিকার রক্ষায় কাজ করেছেন এবং মানবাধিকার সুরক্ষায় সর্বদা উদার ছিলেন। আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীও মানবাধিকার সুরক্ষাকে সবার ওপরে গুরুত্ব দেন। তাইতো রোহিঙ্গারা যখন নিজ দেশে মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে, তখন বাংলাদেশ তাদের আশ্রয় দিয়েছে, যা মানবাধিকার রক্ষায় বিশ্বের বুকে এক অনন্য নিদর্শন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান নাসিমা বেগম, এনডিসি বলেন, প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই কমিশন দেশের সকল ব্যক্তির মানবাধিকার সমুন্নত রাখার ক্ষেত্রে অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মৌলিক মানবাধিকার উন্নয়নে বাংলাদেশের কর্মদক্ষতা বিশ্বব্যাপি প্রশংসা অর্জন করেছে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের মতে, বাংলাদেশ লিঙ্গসমতায়নে দক্ষিণ এশিয়ায় পরপর সাতবার শীর্ষস্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে বিস্‌-এর চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত কাজী ইমতিয়াজ হোসেন বলেন, উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্ত্বেও মানবাধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে বাংলাদেশ সফলতা ধরে রাখতে পেরেছে। যদিও বাংলাদেশ ১৯৫১ সালের শরণার্থী কনভেনশন ও ১৯৬৭ সালের শরণার্থী বিষয়ক প্রটোকল স্বাক্ষর করেনি, তথাপি মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা দশ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও সহায়তা প্রদান করেছে। এজন্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'মাদার অব হিউম্যানিটি' উপাধি লাভ করেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বাগত বক্তব্যে আয়োজক সংস্থার মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাকসুদুর রহমান রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থওৈনতিক অধিকার সুরক্ষার ক্ষেত্রে জাতিসংঘ সনদ ও সার্বজনীন মানবাধিকারের ঘোষণার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

 

ঢাকানিউজ২৪.কম / Sanowar Samsy

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image