নিউজ ডেস্ক : রাজনৈতিক দলের নীতিনির্ধারণী স্তরে নারীদের অংশগ্রহণ কম। মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি পুরুষ নিয়ন্ত্রিত। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে রাজনৈতিক দলগুলো ‘দাদি-চাচিদের’ মনোনয়ন দেয়। যে পুরুষ জাতীয় নির্বাচনে হেরে যান, ‘সান্ত্বনা’ হিসেবে তাদের স্ত্রীদের সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া হয়। এতে এসব আসনে নারীর সত্যিকার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হয় না। তারা সংসদে এখন আর করুণার আসন চান না। তারা চান, সংসদে নারীর সত্যিকারের প্রতিনিধিত্ব।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারীর অংশগ্রহণ: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। নারীর রাজনৈতিক অধিকার ফোরাম এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনে মনোনয়নের সময় যদি রাজনৈতিক দলগুলো ৩০ শতাংশ নারীর মনোনয়ন দেয়, তাহলে একটা সময় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের আর দরকার হবে না।
সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে সরাসরি নির্বাচনের দাবি জানান অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি তানিয়া রব, ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা, ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ফেলো অব প্র্যাকটিস মাহিন সুলতান, ইউপিএলের এমডি মাহরুখ মহিউদ্দিন ও নারীপক্ষের সদস্য সাদাফ সাজ সিদ্দিকীর প্রমুখ।



