নিউজ ডেস্ক : কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কুমিল্লা, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মিলিয়ে মোট ৪৬৮টি কলেজ রয়েছে। প্রতিটি কলেজে ভর্তির জন্য নির্দিষ্ট ন্যূনতম জিপিএ/মোটা শিক্ষার্থী সংখ্যার সমন্বিত মান নির্ধারণ থাকে; এ সংকেত পূরণ না হলে বোর্ড কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম সাময়িক অথবা স্থায়ীভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ও বৃত্তিমূলক কোর্সসমূহে গমন বেড়ে যাওয়ায় আনুষঙ্গিক কলেজগুলোতে আবেদন হ্রাস পাচ্ছে।
শিক্ষা বোর্ড সচিব জানিয়েছেন, “আগামী মধ্য আগস্টের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন না হলে যথাযথ বিধিমালা মোতাবেক উল্লেখিত কলেজগুলোর কার্যক্রম স্থগিত বা সমাবর্তন বাতিলের বিষয়ে পর্যালোচনা হবে।”
কলেজ কর্তৃপক্ষ ও কলেজ প্রধানদের উদ্বেগ ছোট ও মাঝারি অধিকাংশ বেসরকারি কলেজ ইতিমধ্যে আয়ের প্রধান উৎস —শিক্ষার্থীর ভর্তি ফি— হ্রাস পেয়েছে, যা পরিচালনার ব্যয়ভার বহন অক্ষম করছে।
এই প্রেক্ষাপটে, “কলেজগুলোকে নতুন পাঠক্রম এবং অনলাইন/হাইব্রিড মডেলে মানসম্পন্ন শিক্ষা দিয়ে আবেদনকারীদের আকৃষ্ট করতে হবে,” মত দিয়েছেন শিক্ষাবিদরা।
কিছু কলেজে ব্যবস্থাপনা ফি কমিয়ে এবং স্টাইপেন্ড চালু করে আবেদনকারীর সংখ্যা বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
আগামী ১৫ আগস্টের মধ্যে ভর্তির চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের পর বোর্ড শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোর ভবিষ্যৎ স্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবে।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ




