ঢাকা  শনিবার, ২৪শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ৭ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকখাদ্য সংকটে ধুঁকছে গাজা উপত্যকা

খাদ্য সংকটে ধুঁকছে গাজা উপত্যকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তীব্র খাদ্য সংকটে ধুঁকছে গাজা উপত্যকা। অবরোধ আর নিষেধাজ্ঞায় প্রবেশ করতে পারছে না প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা। তীব্র শীতে ত্রাণ ও চিকিৎসা সহায়তার আশায় রয়েছেন হাজারো মানুষ। জাতিসংঘ বলছে, গাজা পুনর্গঠন পরিকল্পনার আগে উপত্যকায় জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বদলায়নি পরিস্থিতি। উপত্যকায় প্রবেশ করতে পারছে না প্রয়োজনীয় ত্রান সহায়তা। গাজায় মানবিক সহায়তা বাড়ানোর কথা থাকলেও বাস্তবে কমেনি মানুষের কষ্ট। সীমান্ত খোলা থাকার কথা শোনা গেলেও মাঠের চিত্র একেবারেই বিপরীত। এ পরিস্থিতিতে চরম খাদ্য সংকটে গাজার বাসিন্দারা।

যুদ্ধ বিদ্ধস্ত উপত্যকায় খাবারের জন্য রীতিমতো সংগ্রাম করছে গাজাবাসী। স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) উপত্যকার খান ইউনিসের পশ্চিমে আল-মাওয়াসি এলাকায় খাবার নিতে ভিড় করেন বাসিন্দা। এক মুঠো ভাত আর এক টুকরো মাংসের আশায় লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন কয়েকশ মানুষ। সকাল থেকে কয়েক কিলোমিটার পায়ে হেটে খাবারের সন্ধানে আসেন অনেকে।

জাতিসংঘ প্রতিনিধি বলছেন, গাজার জন্য সবচেয়ে জরুরি কাজ জটিলতা কমিয়ে উপত্যকায় ত্রান প্রবেশের পথ খুলে দেয়া। মানবিক সহায়তা কার্যক্রম ও পুনর্গঠন একসঙ্গে চালাতে হবে।

পশ্চিম তীরেও অবস্থা গুরুতর। গেল এক বছরে তিনটি শরণার্থী শিবির ধ্বংস করেছে ইসরাইল। অভিযানের নামে দমন-পীড়ন, হত্যার ঘটনা চলছেই। জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী বিষয়ক ত্রাণ সংস্থা বলেছে, তীব্র অভাব ও গৃহহীন হয়ে পড়ছে মানুষ।

এদিকে গাজাকে নতুন করে গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পরিকল্পনার নাম দেয়া হয়েছে ‘নিউ গাজা’। ভূখণ্ডটিকে একেবারে নতুনভাবে পুনর্গঠনের কথা বলা হয়েছে এতে। গত বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে ‘নিউ গাজা’ পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

এদিন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের নতুন ‘বোর্ড অব পিসে’র ঘোষণা দেয়া হয়। এই বোর্ডের দায়িত্ব হবে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটানো এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা পুনর্গঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করা।

এরপর স্লাইড শোতে দেখানো হয় ভূমধ্যসাগরের তীরজুড়ে সারি সারি উঁচু ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা। এতে রাফাহ এলাকায় একটি আবাসিক প্রকল্প থাকবে বলেও জানানো হয়। একটি মানচিত্রে দেখানো হয়, গাজার প্রায় ২১ লাখ মানুষের জন্য ধাপে ধাপে নতুন আবাসিক এলাকা, কৃষিজমি ও শিল্পাঞ্চল তৈরি করা হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular