জালাল উদ্দিন মন্ডল (নিজস্ব প্রতিবেদক) : “খেলাধুলার মাধ্যমে শিশু ও যুবকদেরকে মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ড থেকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব” তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এসব কথা বলেন।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) নান্দাইল উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফাতেমা জান্নাতের সভাপতিত্বে নান্দাইল উপজেলা পর্যায়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টূর্ণামেন্টের (বালক-বালিকা) ফাইনাল খেলার শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নান্দাইল আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী আরও বলেন, নিজ নির্বাচনী এলাকায় ইশতিহার অনুযায়ী নান্দাইলে খেলাধুলার জন্য একটি মিনি স্টেডিয়াম তৈরী করতে ইতিমধ্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে অবগত করেছি। সে বিষয়ে আমি ডিও লেটারও দিয়েছি। আমি নান্দাইলের বিভিন্ন রকম খেলার ক্লাবগুলোর সাথে যোগাযোগ শুরু করেছি এবং ক্লাব গুলোকে কিভাবে আরও উন্নতকরণ করা যায় সেদিকে আমি নজর দিচ্ছি। যত শীঘ্রই সম্ভব স্টেডিয়ামের জায়গা নির্ধারন করে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
এছাড়া তিনি আরও বলেন, আমাদের শিশুরা শুধু ক্লাসরুমেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। তারা খেলার মাঠেও নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করবে। এই মাঠ থেকেই তৈরী হবে আগামী জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড়, যারা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের লাল সবুজের পতাকাকে তুলে ধরবে।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার কুশল আহম্মেদ রনির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নান্দাইল উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মো. এনামুল কাদির, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিজানুর রহমান লিটন, যুগ্ম আহ্বায়ক বাবু পল্লব রায়, নাজমুল হাসান, নান্দাইল পৌর বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম ফকির, সদস্য সচিব রফিকুজ্জামান ভূইয়া মনির, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালাহ উদ্দিন মাহমুদ, ওসি আজাহারুল ইসলাম, উপজেলা ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার সালমা আক্তার, ময়মনসিংহ জেলা উত্তর যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রাসেল সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান ও দলীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
ক্রীড়া ধারাভাষ্যকার এমএ মুরাদ ও জসিম উদ্দিনের ধারাভাষ্যে খেলার প্রধান রেফারি তছলিম আহম্মেদ সুনুর ক্রীড়া পরিচালনায় চমৎকার ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা শেষে উত্তর জাহাঙ্গীরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক দল ও আচারগাঁও উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিকা দলের হাতে পৃথক পৃথক চ্যাম্পিয়নশীপ ট্রফি এবং দেওয়াগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালক দল ও সিংরইল দক্ষিণপূর্ব কুচুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বালিকা দলের হাতে পৃথক পৃথক রানার্সআপ ট্রফি তুলে দেওয়া হয়।




