ঢাকা  সোমবার, ৩রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ১৬ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকগাজার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের প্রস্তুতি শুরু

গাজার জন্য ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের প্রস্তুতি শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ-পরবর্তী গাজার জন্য তার তথাকথিত ‘বোর্ড অব পিস’ গঠনের কাজ শুরু করেছেন।

শনিবার (১৬ জানুয়ারি) একাধিক বিশ্ব নেতা জানিয়েছেন ‘বোর্ড অব পিস’-এ তাদের যোগদানের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। খবর এএফপি।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ট্রাম্পের পরিকল্পনার অধীনে একটি প্রধান বোর্ড থাকবে, যার সভাপতিত্ব করবেন ট্রাম্প স্বয়ং। একটি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট কমিটি থাকবে যা যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের শাসন পরিচালনার জন্য গঠিত হবে, এবং একটি দ্বিতীয় ‘কার্যনির্বাহী বোর্ড’ থাকবে যা আরও পরামর্শমূলক ভূমিকা পালন করবে বলে মনে হচ্ছে।

হোয়াইট হাউস কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্তদের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে যে, আরও নাম যুক্ত করা হবে।

হোয়াইট হাউস বলেছে যে, বোর্ড অব পিস শাসন ক্ষমতা বৃদ্ধি, আঞ্চলিক সম্পর্ক, পুনর্গঠন, বিনিয়োগ আকর্ষণ, বৃহৎ পরিসরে তহবিল এবং মূলধন সংগ্রহের মতো বিষয়গুলো বিবেচনা করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই বোর্ডে সভাপতি হিসেবে থাকবেন।

আরও যারা থাকবেন তারা হলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, স্টিভ উইটকফ, ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও জামাতা জ্যারেড কুশনার, যুক্তরাজ্যের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, যুক্তরাষ্ট্রের কোটিপতি মার্ক রোয়ান, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ট্রাম্পের বিশ্বস্ত সহযোগী রবার্ট গ্যাব্রিয়েল।

হোয়াইট হাউস বলেছে, ‘টেকনোক্র্যাটদের সমন্বয়ে গঠিত হবেগাজার প্রশাসনের জন্য জাতীয় কমিটি। এই সংস্থাটি মূল জনসেবা পুনরুদ্ধার, বেসামরিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন এবং গাজার দৈনন্দিন জীবনের স্থিতিশীলতা তদারকি করবে।’

প্রাক্তন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের উপমন্ত্রী আলী শাথ (কমিটির প্রধান)।

হোয়াইট হাউস জানায়, এরপর থাকবে গাজা নির্বাহী বোর্ড। ‘এই বোর্ড কার্যকর শাসনব্যবস্থা এবং গাজার জনগণের জন্য শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং সমৃদ্ধি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সর্বোত্তম পরিষেবা দিতে সহায়তা করবে।’

গাজা নির্বাহী বোর্ডে যারা থাকবেন, তারা হলেন- স্টিভ উইটকফ, জ্যারেড কুশনার, টনি ব্লেয়ার, মার্ক রোয়ান, বুলগেরিয় কূটনীতিক নিকোলে ম্লাদেনভ, গাজায় জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয়কারী সিগ্রিড কাগ, তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান, কাতারি কূটনীতিক আলি আল-থাওয়াদি, মিশরের গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক জেনারেল হাসান রাশাদ, আমিরাতের মন্ত্রী রিম আল-হাশিমি ও ইসরাইলি কোটিপতি ইয়াকির গাবে।

আরো যেসব নেতা বলেছেন তাদের যোগদানের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে- তারা হলেন, আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী এদি রামা, আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট জাভিয়ের মাইলি, কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি, সাইপ্রাসের প্রেসিডেন্ট নিকোস ক্রিস্টোডুলিডেস, মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি এবং তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular