মন্ত্রী বলেন, চীন বাংলাদেশের কাঁঠাল আমদানিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং পরীক্ষামূলকভাবে কিছু কাঁঠাল নিয়েছে। এছাড়া জাপান, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশ থেকে আম আমদানিতে আগ্রহী। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের জন্য বিশ্বমানের প্যাকিং ও কোয়ারেন্টাইন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে বছরে প্রায় ২৬ লাখ টন আম উৎপাদিত হয়। উৎপাদন বাড়লেও অভ্যন্তরীণ বাজারে চাহিদার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক কৃষক কাঙ্ক্ষিত দাম পান না। তাই রপ্তানি বাড়ানোই এখন প্রধান লক্ষ্য।
বিমানভাড়া প্রসঙ্গে কৃষি মন্ত্রী বলেন, রপ্তানির খরচ কমাতে বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে এরই মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পাশাপাশি অন্যান্য আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন্সের সঙ্গেও কার্গো সুবিধা বাড়ানো এবং আগাম কার্গো স্পেস সংরক্ষণের বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, শুধু আম নয়, লিচু, কাঁঠাল, বরই, টমেটো, পেঁপে, মিষ্টি আলুসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যও এই ভিএইচটি সেন্টারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে রপ্তানি করা সম্ভব হবে।
কৃষিমন্ত্রী জানান, কৃষিপণ্য সংরক্ষণে সারাদেশে কয়েক হাজার মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। এর মাধ্যমে কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা এবং সারা বছর ভোক্তাদের স্থিতিশীল দামে কৃষিপণ্য সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
মন্ত্রী রপ্তানিকারকদের উদ্দেশে বলেন, বিদেশি ক্রেতাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি শতভাগ রক্ষা করতে হবে। কারণ আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা অর্জনই বাংলাদেশের কৃষিপণ্য রপ্তানি বৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি।
বক্তব্যের শেষে কৃষিমন্ত্রী বলেন, সরকার কৃষিপণ্য রপ্তানির সব ধরনের সহায়তা দেবে।
এর আগে মন্ত্রী ভিএইচটি সেন্টার উদ্বোধন করেন। কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।