ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorizedচিকেনস নেকে ‘ত্রিকোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড’ তৈরির ঘোষণা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

চিকেনস নেকে ‘ত্রিকোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড’ তৈরির ঘোষণা ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিউজ ডেস্ক:  ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দেশটির মূল ভূখণ্ডের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পথ শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেনস নেক’-এর নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ ‘ত্রিকোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড’ গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

শুক্রবার (২০ আগস্ট) শিলিগুড়ি সফরে গিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। এ সময় করিডোরটির নিরাপত্তায় প্রশাসনিক ও সামরিক সক্ষমতা আরও বাড়ানোর কথা জানান ।

শিলিগুড়ির রানিডাঙ্গায় সশস্ত্র সীমা বলের (এসএসবি) উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার হেডকোয়ার্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রায় ১৮৯ কোটি রুপি ব্যয়ে বিভিন্ন আবাসিক ও প্রশাসনিক প্রকল্পের উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন অমিত শাহ। অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও দার্জিলিংয়ের সংসদ সদস্য রাজু বিস্তাও উপস্থিত ছিলেন।

নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন অমিত শাহ। তিনি জানান, করিডোরটির নিরাপত্তায় ‘ত্রিকোণীয় নিরাপত্তা গ্রিড’ গঠন করা হয়েছে। এর আওতায় চোপড়া, কিষাণগঞ্জ ও ধুবড়ি ঘাঁটি থেকে নজরদারি, সামরিক উপস্থিতি এবং প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ জোরদার করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ‘তিস্তা প্রহার’-এর মতো নিয়মিত সামরিক মহড়ার মাধ্যমে করিডোরটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

সীমান্ত নিরাপত্তা প্রসঙ্গে অমিত শাহ অভিযোগ করেন, অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ এবং কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর জন্য প্রায় ৫৬০ একর জমির প্রয়োজন হলেও সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সময়ে তা পাওয়া যায়নি। তবে নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দায়িত্ব নেওয়ার ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ ও এসএসবির জমিসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন করে ১ হাজার ১২৯ একর জমি হস্তান্তর করেছেন বলে দাবি করেন তিনি। বাকি ২৯ একর জমিও দ্রুত অনুমোদনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

নিরাপত্তা জোরদারের পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকার অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বিভিন্ন প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রোগ্রাম ২.০’-এর আওতায় ৬ হাজার ৮৩৯ কোটি রুপি ব্যয়ে বাংলাদেশ ও ভুটান সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোর যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নের কাজ চলছে।

এ ছাড়া ‘অমৃত ভারত স্টেশন’ প্রকল্পের আওতায় শিলিগুড়ি ও জলপাইগুড়ি রেলস্টেশন আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ঘোষিত দিল্লি-শিলিগুড়ি হাইস্পিড রেল করিডোর চালু হলে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে দিল্লি থেকে কয়েক ঘণ্টায় শিলিগুড়ি পৌঁছানো সম্ভব হবে বলেও জানান অমিত শাহ।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular