নিউজ ডেস্ক : মিরপুর, তানজিদের স্মরণীয় সেঞ্চুরির পর বিনুরা-মুরাদের বোলিং নৈপুণ্যে চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স চতুর্থবারের মতো বিপিএলের শিরোপা জেতেছেন। ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে রাজশাহী মোট প্রাইজমানি হিসেবে পেয়েছে ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
ফাইনালে ওপেনার তানজিদ হাসানের দুর্দান্ত একশ রানের ভূমিকাই ছিল ম্যাচের মূখ্য টার্নিং পয়েন্ট — দীর্ঘদিনের দুর্দান্ত ফর্মের পর ফাইনালে সেঞ্চুরি করে তিনি ম্যাচসেরার পুরস্কারও অর্জন করেন। তানজিদের ইনিংসে প্রতিটি ধাক্কাই রাজশাহীর জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফাইনালের ম্যাচসেরা পুরস্কার হিসেবে তিনি পেয়েছেন ৫ লাখ টাকা।
সর্বোচ্চ রানের ব্যাটসম্যান হিসেবে পারভেজ হোসেন ইমন ১২ ম্যাচে ৩৯৫ রান করে টুর্নামেন্টের শীর্ষ রান সংগ্রাহক হয়েছেন এবং তার পুরস্কার ৫ লাখ টাকা প্রদান করা হয়েছে।
বোলিং বিভাগে চট্টগ্রাম রয়্যালসের পেসার শরীফুল ইসলাম পুরো টুর্নামেন্টে ২৬ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হিসেবে শিরোপার অন্যতম দুর্নিবার প্রভাবশালী নাম হিসেবে জ্বলজ্বল করেছেন। তিনি ‘সেরা বোলার’ হওয়ার পাশাপাশি ‘টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড়’ পুরস্কারও জিতে মোট ১৫ লাখ টাকা পান।
অন্যান্য স্বীকৃতি হিসেবে রংপুর রাইডার্সের লিটন দাসকে ‘সেরা ফিল্ডার’ হিসেবে সম্মান জানানো হয় এবং উদীয়মান পেসার রিপন মণ্ডলকে ‘ইমার্জিং প্লেয়ার’ পুরস্কার দেওয়া হয়, উভয়েরই পুরস্কার ৩ লাখ টাকা করে। টুর্নামেন্টের মোট প্রাইজমানি ছিল পারস্পরিকভাবে প্রায় ৫ কোটি টাকা, যেখানে রানার্স-আপ চট্টগ্রাম রয়্যালস পেয়েছে ১ কোটি ৭৫ লাখ টাকা।
রাজশাহীর সাফল্যে দলের সমন্বিত বোলিং, বিশেষত বিনু ও মুরাদের কার্যকর বোলিং ফাইনালে চট্টগ্রামের ব্যাটিংকে বেধে দেয় এবং বড় স্কোর গঠনে বাধা সৃষ্টি করে। একই সঙ্গে টুর্নামেন্টে তরুণ প্রতিভারা রিপনসহ দলের জয়জয়কারে বড় অবদান রেখেছেন।
উৎসবমুখর সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার বিতরণ ও ট্রফি হস্তান্তর অনুষ্ঠিত হয়। মঞ্চে খেলোয়াড়রা এবং ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতিনিধিরা আনন্দ ভাগাভাগি করেন।
ভক্ত, পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষকরা রাজশাহীর কৌশলগত একতা, উপযুক্ত ব্যাটিং ওপেনিং, মাধ্যমিক ব্যাটিং সমর্থন ও নির্ভরযোগ্য বোলিং অপারেশনকে রাজশাহী ওয়ারিয়রর্সের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মূল কারণ হিসেবে স্বীকার করেছেন।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ




