ক্রীড়া ডেস্ক: সুপার এইটের ভারতের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জয়ের পর সাফল্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়েছে প্রোটিয়ারা। এই জয়ের মধ্যে দিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এগিয়ে থাকলো তারা। বড় কোনো অঘটন ছাড়া সেমিফাইনাল থেকে বাদ পড়ার সুযোগ নেই।
দিনটা ভালো ছিলনা ওয়েস্ট ইন্ডিজের। ১৬ ওভার শেষে ওয়েস্ট ইন্ডিজের রান ৭ উইকেটে ১২৯। অষ্টম উইকেটে ৩৩ বলে ৪৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েছেন হোল্ডার ও শেফার্ড। এই জুটি খেলার চেহারা পাল্টে দিল। আশা জাগালো।
অষ্টম উইকেট জুটিতে শেফার্ডকে সঙ্গে নিয়ে ৫৭ বলে ৮৯ রানের জুটি গড়েছেন হোল্ডার। তাতে ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারানোর পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজ দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৭৭ রানের লক্ষ্য দিতে পেরেছে।
হোল্ডার ফিফটি পাননি, ৪৯ রানে রানআউট হয়েছেন। তবে ইনিংসের শেষ বলে চার মেরে টি–টুয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি পেয়েছেন শেফার্ড।
১৬তম ওভারে—১১, ১৭তম ওভারে—১১, ১৮তম ওভারে—২৩ রান করতে সক্ষম হলেও শেষ দু্ই ওভারে বড় স্কোর করা যায়নি। শেষ ২ ওভারে এনগিডি ও বশ রান খরচ করেছেন মাত্র ১৩ রান।
ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৭৬ রানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয়।
১৭৭ রানের লক্ষ্যটা খুব ছোট ছিলনা। তবু, খুব সহজেই এই রান ১৬.১ ওভারে মাত্র ১ উইকেট হারিয়েই তাড়া করে জিতল দক্ষিণ আফ্রিকা।

দুই ওপেনার মার্করাম ও ডি ককের ৪৮ বলে ৯৫ রানের জুটিই ম্যাচের ভাগ্য দক্ষিণ আফ্রিকার পক্ষে নিয়ে যায়।
৪৭ রানে ডি কক ফিরলে তিনে নামা রিকেলটন করেছেন ৪৫ রান। অন্যদিকে ৪৬ রানে ৮২ রানে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক মার্করাম। ম্যাচসেরাও হয়েছেন তিনি।
টুর্নামেন্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয়ের ধারা ভেঙে গেল আর দক্ষিণ আফ্রিকাই এখন বিশ্বকাপে একমাত্র অপরাজিত দল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ২০ ওভারে ১৭৬/৮ (শেফার্ড ৫২*, হোল্ডার ৪৯; এনগিডি ৩/৩০, বশ ২/৩১)
দক্ষিণ আফ্রিকা: ১৬.১ ওভারে ১৭৭/১ (মার্করাম ৮২*, ডি কক ৪৭; চেজ ১/৪৬)
ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৯ উইকেটে জয়ী
ম্যাচসেরা: এইডেন মার্করাম



