নিউজ ডেস্ক : জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পক্ষাবলম্বনের অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং একজনকে সাময়িকভাবে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট।
‘গণ-অভ্যুত্থান’ কর্মসূচির সময় শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ আখ্যা প্রদানের এবং হুমকির অভিযোগ উঠেছিল। প্রসঙ্গত, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী মহলে এ বিষয়ে দীর্ঘদিন বিতর্ক চলছিল। সিন্ডিকেট হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা।
এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে, গত সোমবার (২২ জুন) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় তিন শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত এবং একজনকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সিন্ডিকেটের একাধিক সদস্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, এবং বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানাচ্ছে, অভিযোগ তদন্ত চলাকালে সংশ্লিষ্টদের দায়িত্ব থেকে সাময়িক বিরত রাখা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র আরও জানাচ্ছে, এই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই শিক্ষক ও কর্মকর্তারা দায়িত্ববিমুক্ত থাকবেন।
বরখাস্তকৃত শিক্ষকরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিম উল্লাহ, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. আ. ক. ম. জামাল উদ্দীন এবং ব্যাংকিং অ্যান্ড ইনস্যুরেন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলাম। তারা সকলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘদিনের শিক্ষক। উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আজমল হোসেন ভূঁইয়াকে একই সভায় একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
একই অভিযোগে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা ও ডেপুটি রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ লাভলু মোল্লা শিশিরকেও সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়াগত নিয়ম মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।-
এদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।




