তপ্ত বালুর উপর ঘোড় সোয়ার রুহামা। ওপারে বহু দূরে শাড়ি শাড়ি পাহাড় মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে আছে সবুজ বৃক্ষে নিজেকে আবৃত করে। পাহাড় আর মেঘমালার আলিঙ্গনে সৃষ্টি হয় বৃষ্টি। কোথাও চোখে পড়ে পাহাড়ের বুক ফাটা কান্নার মত জলপ্রপাত। মেঘালয়ের এ জলরাশি থেকেই জন্ম নিয়েছে ভোলাগঞ্জ নদী। এ নদীর পাড়েই গড়ে উঠেছে ভোলাগন্জ বাজার। ভারত বাংলাদেশ সীমানা চেক পোস্ট স্হল বন্দর।
দুপুরের খাবার শেষ নদীর ঘাট থেকে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে সাবা, রুপা এব আমি ভেসে চললাম সাদা পাথরের পাহাড় দেখার জন্য। সূর্যের তাপমাত্রা কমলেও বৈশাখের প্রক্ষরতা তখনো চলমান। পাহাড়ি স্বচ্ছ টলমল জনে পাহাড়, প্রকৃতি ও মানুষের ছবি ভেসে উঠে।
ছোট বড় হরেক রকম পসরা সাজিয়ে বসেছে নানান বয়সী ব্যবসায়ী। দেশী বিদেশি পণ্যের সমারোহ। ব্যবসায়ীদের বানিজ্যিক চেচামেচি, পর্যটনে আগতদের হাকঢাক আর প্রকৃতির শনশন শব্দ তৈরি হয়েছে অনন্য ব্যান্জনা। পানির শ্রোতে ভেসে আসা ছোট বড় নানান রকম পাথরের সমারোহ। এ যেন পাথরের নদী।
পর্যটকদের ভীরে, পদচারণায় মুখরিত। বিভিন্ন ধরনের বিনোদন সামগ্রী চোখে পড়ে। প্রিয়জনদের নিয়ে আনন্দ ভ্রমণের একফাকে চোখে পড়ে সূর্য প্রায় অস্তমিত হচ্ছে। পশ্চিম আকাশ লাল আভায় প্রায় আচ্ছন্ন। আমরা নীড়ের টানে হাটতে থাকলাম। এ দৃশ্য অনেক দিন আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখবে। শুভকামনা সকলের জন্য।




