ঢাকা  শুক্রবার, ৩০শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ১৩ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeরাজনীতিআটক করেই জামিন দেওয়া জনগণের সাথে তামাশা: ড. শফিকুল

আটক করেই জামিন দেওয়া জনগণের সাথে তামাশা: ড. শফিকুল

নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারী ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেছেন, গণহত্যাকারী, হত্যার নিদের্শদাতা, হত্যাকান্ড চালাতে সহায়তা করা, দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপি ও তাদের দোসরদের আটক করেই জামিন দেওয়া জনগণের সাথে তামাশার শামিল।

রাজধানীর শান্তিপুর কমিউনিটি সেন্টারে শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খিলগাঁও জোনের ইউনিট সভাপতি-সেক্রেটারী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।

খিলগাঁও জোন পরিচালক মাওলানা ফরিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও খিলগাঁও-মুগদা থানা আমীর মাহমুুদুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে ড. মাসুদ আরো বলেন, অপরাধীদের আটক করেই জামিন দিয়ে দেওয়া কখনো ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা নয়। কার স্বার্থে বা কোন স্বার্থে আটকের পরই জামিন হচ্ছে তা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে প্রকাশ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার রক্তের সাথে বেইমানি করলে, জামায়াত-শিবির লাগবে না আদালত পাড়ায় শহীদ ও আহত বহু পরিবার রয়েছে তারাই বাধ্য হবে গণহত্যাকারী, হত্যার নিদের্শদাতা, হত্যাকান্ড চালাতে সহায়তা করা, দুর্নীতিবাজ আওয়ামী লীগের মন্ত্রী, এমপি ও তাদের দোসরদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠাতে। অতিতে জামায়াতে ইসলামী সহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীকে যতদিন রিমান্ডে রাখা হয়েছে ততদিন আওয়ামী লীগের নেতাদের কারাগারেও রাখা হচ্ছে না।

ড. মাসুদ বলেন, আমরাও চাই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হোক। জামিনযোগ্য মামলায় জামিন লাভ করুক। কিন্তু আটক করেই জামিন চাওয়া মাত্র জামিন! এটা কখনো ন্যায় বিচার হতে পারে না। এটা কেবলই একটি দল বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া।

ড. মাসুদ উপস্থিত কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, একটি দলের প্রাণ হচ্ছে কর্মী। কর্মীদের রাজনৈতিক শিষ্টাচার, মূল্যবোধ, মানবিকতা, নৈতিকতা ও আদর্শ সৃষ্টি হয় নেতাদের থেকে। কিন্তু যেই দলের প্রধানসহ নেতারা চোর, খুনি, দুর্নীতিবাজ, লুটেরা, দখলদ্বার সেই দলের কর্মীও ঠিক নেতার মতই হয় এবং হবে। জামায়াতে ইসলামীর নেতারা চুরি করে না, লুটপাট করে না, চাঁদাবাজি, সন্ত্রসী, দখলদারিত্ব করে না যার ফলে জামায়াতে ইসলামীর কর্মীরাও নেতাদের মতই মানবিক, নৈতিকতা সম্পূর্ন ও আদর্শবান হয়ে থাকে। জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক অন্যতম কর্মসূচি হচ্ছে নাগরিকদের আদর্শ মানুষ হিসেবে তৈরি করা। কারণ এই নাগরিক থেকেই নেতা তৈরি হবে, দেশ ও জাতির নেতৃত্ব দিবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular