জালাল উদ্দিন মন্ডল নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় প্রতিপক্ষের একের পর এক হামলা, অগ্নিসংযোগ, ভাংচুর ও লুটপাটের মুখে ভিটেমাটি ছেড়ে এক বছর ধরে স্ব-পরিবারে ফেরারি অবস্থায় জীবন-যাপন করছে মো. বকুল মিয়া (৫১) নামের এক অসহায় পরিবার। এ বিষয়ে কোন প্রতিকার না পেয়ে ময়মনসিংহের বিজ্ঞ ৯নং আমলী নান্দাইল আদালতে ৭ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
সরজমিন পরির্দশনে গিয়ে দেখা যায়, বকুল মিয়ার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে স্থাপিত বাড়ি-ঘর ভাংচুর অবস্থায় পড়ে রয়েছে। ঘরের ভিতরে কোন আসবাবপত্র নেই। একটি বসতঘর পরিপূর্ণ ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে, যার চিহ্ন প্রায় নিশ্চিহ্ন। এছাড়া আরেকটি ঘর সম্পুর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নান্দাইল উপজেলার ৭নং মুশুল্লী ইউনিয়নের মুড়াগালা গ্রামের মৃত আঃ হেকিমের ছেলে বকুল মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে একই এলাকার মৃত আঃ হেকিমের ছেলে মো. লিটন ও তার পুত্র রিয়াজ গংদের সাথে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জেরে গত বছর ২৩ মার্চ রাতে বিবাদীরা বকুল মিয়ার খড়ের পুঞ্জিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরবর্তীতে দুই মাস পরে ২৯ জুন দুপুরে বিবাদীরা বকুল মিয়ার বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ৩টি বসত ঘর ভাংচুর, মালামাল লুটপাট সহ প্রায় ২৭ লক্ষ টাকার টাকার ক্ষতিসাধন করা হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ভুক্তভোগী বকুল মিয়া বলেন, “বিবাদীরা অত্যন্ত প্রভাবশালী ও দাঙ্গাবাজ প্রকৃতির। আসামীদের ভয়ে কেউ স্বাক্ষী দিতে চায় না। থানায় মামলা না নেওয়ায় আদালতে যেতে বাধ্য হয়েছি। আমি আমার নিজ বাড়িতে শান্তিতে বসবাস করতে চাই।
অপরদিকে প্রতিপক্ষ লিটনের ভাই আঃ হেলিম বাদী বকুল মিয়ার ক্রয়কৃত সম্পত্তির কথা স্বীকার করে জানান, বাড়ি-ঘর ভাংচুরের অভিযোগ মিথ্যা, আর বকুল মিয়া কেন বাড়িতে থাকে না, তাতো বলতে পারছি না। তবে আ: হেলিমের বোন ছিনুয়ারা বাদীর বাড়ি-ঘর ভাংচুরের সত্যতা স্বীকার করে জানান, মূলত এক ভাতিজাকে মারধরের ঘটনার পর এ ভাংচুরের ঘটনাটি ঘটেছে।




