ঢাকা  শনিবার, ১১ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকনেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন

নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: জাতিসংঘে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করা দেশগুলোর তালিকা করেছেন এক ইসরায়েলি কূটনীতিক।

এসব দেশের নেতাদের কেউ কেউ নেতানিয়াহুর ভাষণের আগে এবং কেউ কেউ ভাষণের সময় অধিবেশনস্থল ত্যাগ করেন বলে ভয়েস অব এমিরেটসের খবরে বলা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, ইসরায়েলি ওই কূটনীতিক হলের সারিগুলোর মাঝ দিয়ে হাঁটছেন। তিনি বেরিয়ে যাওয়া দেশ ও প্রতিনিধিদলের তালিকা করছেন।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম— ভয়েস অব এমিরেটস লিখেছে, ইসরায়েলি কূটনীতিকের নোট নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা রকমের প্রতিক্রিয়া আসছে।

একজন পর্যবেক্ষক রসিকতা করে লিখেছেন, “নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় শতাধিক প্রতিনিধি হল ছেড়ে যাওয়ার পর ইসরায়েলি প্রতিনিধিদলের সদস্যদের ঠিক কারা বেরিয়ে গেছেন, তা যাচাই করতে দেখা গেছে।

“ইসরায়েলের উচিত, অতিরিক্ত কাগজ সঙ্গে রাখা। কারণ নেতানিয়াহুর প্রতি বিরক্ত দেশগুলোর তালিকা ক্রমেই দীর্ঘ হচ্ছে।”

জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হতেই ‘ফ্রি প্যালেস্টাইন’সহ বিভিন্ন স্লোগান ও দুয়োধ্বনি শোনা যায়। বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিদল এবং ওপরের গ্যালারিতে থাকা কিছু দর্শকের কাছ থেকে করতালি আসে।

নেতানিয়াহু ভাষণ শুরুর আগেই হল ছেড়ে যাওয়া প্রতিনিধিদের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি তাদের ‘নৈতিকভাবে কাপুরুষ’ অভিহিত করে বলেন, “আর কোনো কাপুরুষ যদি এখনও হল ছেড়ে না গিয়ে থাকেন, তাহলে এখনই বেরিয়ে যেতে পারেন।”

কোনো বিষয়ের প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে জাতিসংঘের বৈঠক থেকে বেরিয়ে যাওয়া নতুন ঘটনা নয়। এর আগেও বিভিন্ন অধিবেশনে এমন প্রতিবাদ দেখা গেছে।

কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম লিখেছে, কয়েক ডজন দেশের প্রতিনিধি নেতানিয়াহুর ভাষণ শোনেননি। কারো হিসাবে, এমন দেশের সংখ্যা ৭৭।

কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম লিখেছে, কোনো কোনো আসন অধিবেশনের শুরু থেকে ফাঁকা ছিল। ফলে কোন দেশের খালি আসন দেখেই বলা যাবে না, তারা নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করেছে।

যেসব দেশের প্রতিনিধিরা সম্মেলন স্থলে ছিলেন, তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, চীন, কলম্বিয়া, আজারবাইজান ও গ্রিস রয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতও হলে ছিল।

দ্য টাইমস অব ইসরায়েল লিখেছে, আরব দেশগুলোর মধ্যে আমিরাতই একমাত্র দেশ, যারা হল থেকে বেরিয়ে যায়নি।

এখন পর্যন্ত জাতিসংঘ বা কোনো আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সংস্থা নেতানিয়াহুর ভাষণের সময় হল ছেড়ে যাওয়া দেশ ও প্রতিনিধিদলের তালিকা প্রকাশ করেনি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular