স্বাস্থ্য ডেস্ক: দীপ্তর শরীর পুড়ে যাওয়ার ধরন ছিল মিশ্র। তবে বেশির ভাগ জায়গায় ছিল গভীর পোড়া। দুই হাত, পিঠ ও শরীরের কিছু অংশ এবং শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। তার শ্বাসযন্ত্রে গুরুতর সমস্যা তৈরি হয়েছিল। ফুসফুসে পানি জমে গিয়েছিল।
উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পর নাভিদকে ১০ দিন লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। এরপর ২২ দিন নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ), ৩৫ দিন হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) এবং সবশেষ ৪০ দিন সে কেবিনে চিকিৎসাধীন ছিল। চিকিৎসাকালে তার শরীরে ৩৬ বার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। স্কিন গ্রাফটিং করা হয়েছে আটবার।
২০২৫ সালের ২১ জুলাই, দিনটি ছিল সোমবার। দুপুর সোয়া ১টা নাগাদ উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের হায়দার আলী ভবনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এফ-৭ বিজিআই মডেলের যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তেই এক মর্মান্তিক দৃশ্যের অবতারণা হয় সেখানে।
দাউদাউ করে জ্বলে ওঠা আগুনে পুড়ে যায় ছোট শিশুদের কোমল শরীর। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ অন্তত ৩৬ জন নিহত হন। আহত হন শতাধিক। হতাহতদের অধিকাংশই শিশু। সেদিন প্রাণ হারান পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলামও।




