নিউজ ডেস্ক : শীতকালীন সবজি পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজির মধ্যে। সরবরাহ বাড়ায় বগুড়ার মহাস্থান সবজির মোকামে সব রকম সবজির দাম তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে। সবজির অব্যাহত দাম কমায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। তাদের দাবি, উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে উৎপাদন খরচের টাকাও উঠাতে পারছেন না।
সরেজমিনে দেখা যায়, হরেক রকম শীতকালীন সবজিতে ভরপুর বাজার। সরবরাহ বাড়ায় সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকার নিচে। আলুর কেজি ২৫, শিম ১০, বেগুন-করলা ২৫ এবং টমেটো পাইকারিতে বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। সবচেয়ে কম ২ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে মুলা।
ভোরের আলো ফোটার আগেই ক্ষেত থেকে টাটকা সবজি নিয়ে আসছেন কৃষকরা। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে ঘন কুয়াশার মাঝেই সরগরম এ পাইকারি বাজার।
ফুলকপির প্রতিপিস মাত্র ৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতিপিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকায়। এছাড়া প্রতিকেজি মিষ্টি কুমড়া ১২ টাকা, কাঁচা মরিচ ২০ টাকা ও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়।
কৃষকরা বলছেন, বাজারে যে দামে সবজি বিক্রি হচ্ছে তাতে উৎপাদন খরচও উঠছে না। তবে উৎপাদন খরচ না উঠলেও জমিতে নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষায় সবজি কম দামেই বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
জেলায় এবার ১২ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজির চাষ হয়েছে। মহাস্থান হাট থেকে প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ ট্রাক সবজি দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়।



