ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ১৬ই আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১লা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeলিডপ্রবীণদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আহ্বান

প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার আহ্বান

নিউজ ডেস্ক: চিকিৎসাবিজ্ঞানের অগ্রগতি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নের ফলে মানুষের গড় আয়ু বাড়ছে। এই পরিবর্তিত বাস্তবতায় প্রবীণদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আবাসন ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থাকে নতুন করে ভাবার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

১ অক্টোবর আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য— ‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’ (The Age of Longevity: Rethinking Systems for Longer Lives)।

রাষ্ট্রপতি বলেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভাবনীয় অগ্রগতি এবং জীবনমানের উন্নয়নের কারণে বিশ্বজুড়ে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সংখ্যা। ফলে দীর্ঘ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে প্রবীণদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা, আবাসন ও কর্মসংস্থানের বিদ্যমান ব্যবস্থাগুলোকে সময়োপযোগী করে তোলার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, বার্ধক্য মানুষের স্বাভাবিক জীবনচক্রের অংশ। তাই প্রত্যেক মানুষের নিরাপদ, সুস্থ ও মর্যাদাপূর্ণ বার্ধক্য নিশ্চিত করা জরুরি। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদেও ক্রমবর্ধমান প্রবীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কাঠামো নিশ্চিত করাকে রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতি জানান, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বয়স্ক ভাতা খাতে ৫ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভাতার আওতায় সুবিধাভোগীর সংখ্যা ও ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রবীণদের একটি বড় অংশ অবনতিশীল স্বাস্থ্য, আর্থিক অনিশ্চয়তা ও নিঃসঙ্গতার মধ্যে জীবন কাটাচ্ছেন। অথচ তাঁদের শ্রম, মেধা, অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের ওপর ভিত্তি করেই আজকের বাংলাদেশ গড়ে উঠেছে। তাই প্রবীণদের শুধু অতীতের অংশ হিসেবে নয়, বর্তমানের ভিত্তি ও ভবিষ্যতের পথপ্রদর্শক হিসেবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

প্রবীণদের কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সামাজিক ও জনহিতৈষী সংগঠন, বিত্তবান ব্যক্তি এবং পরিবারকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, প্রবীণদের প্রতি ভালোবাসা, সম্মান ও যত্ন এবং তাঁদের নিরাপদ বার্ধক্য নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব।-

রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ ও বিশ্বের সব প্রবীণ নাগরিকের সুস্বাস্থ্য, শান্তি ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন কামনা করেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular