ঢাকা  বৃহস্পতিবার, ২রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশফুলবাড়ী সীমান্তে ১৯৮৯ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ২৭ বোতল মদ আটক

ফুলবাড়ী সীমান্তে ১৯৮৯ পিস নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও ২৭ বোতল মদ আটক

এমডি রেজওয়ান আলী বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বিরোধী পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও বিদেশি মদ আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। রোববার ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধীন বিভিন্ন সীমান্ত ফাঁড়ি ও বিশেষ ক্যাম্পের সদস্যরা পৃথক তিনটি অভিযান পরিচালনা করে এসব মাদকদ্রব্য ও চোরাচালান মালামাল আটক করেন। আটককৃত মালামালের সিজার মূল্য ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬২০ টাকা। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তৎপরতার অংশ হিসেবে রোববার ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধীন মনিপুর বিওপি,তপসী স্থায়ী পোস্ট এবং বনতারা বিশেষ ক্যাম্পের সদস্যরা পৃথকভাবে তিনটি অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থান থেকে ১ হাজার ৯৮৯ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট এবং ২৭ বোতল বিদেশি মদ আটক করা হয়। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী,আটককৃত মাদকদ্রব্য ও অন্যান্য চোরাচালান মালামালের মোট সিজার মূল্য ১ লাখ ৯৯ হাজার ৬২০ টাকা। সীমান্ত এলাকায় মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবির পক্ষ থেকে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে নেশাজাতীয় ট্যাবলেট,মদসহ বিভিন্ন নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিজিবি সূত্র আরও জানায়,সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সন্দেহজনক গতিবিধির ওপরও বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। সীমান্তের দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে টহল জোরদার করা হয়েছে। নিয়মিত টহলের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে। এ বিষয়ে ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবির অধিনায়ক লে.কর্নেল আরিফ উজ জামান,পিএসসি বলেন,সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। ভারত থেকে কোনোভাবেই নিষিদ্ধ মাদক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। মাদক চোরাচালান বন্ধে বিজিবি কঠোর অবস্থানে রয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় নাগরিকদের অবৈধভাবে বাংলাদেশে পুশইনের বিষয়েও বিজিবি সতর্ক রয়েছে। এ ধরনের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে।
বিজিবির অধিনায়ক আরও বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে ২৯ বিজিবির আওতাধীন সব বিওপির দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্যদের সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও নজরদারি অব্যাহত থাকবে। সচেতন মহল মনে করছে, সীমান্ত এলাকায় বিজিবির এ ধরনের নিয়মিত ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকলে মাদক ও চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সচেতন ও সহযোগিতা মূলক ভূমিকা রাখার প্রয়োজন রয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে,সীমান্ত সুরক্ষা, মাদক প্রতিরোধ এবং চোরাচালান বন্ধে তাদের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular