নিউজ ডেস্ক : বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) চলতি বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ হবে। জানা গেছে, চন্দ্রগ্রহণটি বাংলাদেশের কোনো জায়গা থেকে দৃশ্যমান হবে না। ২০২৪ সালের শেষ গ্রহণটি উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ।
ইসলামপূর্ব জাহেলি যুগের মানুষের বিশ্বাস ছিল, জগতের বৃহৎ কোনো পরিবর্তনের কারণে চাঁদ এবং সূর্যের গ্রহণ লাগে। যেমন বড় কারও জন্ম, মৃত্যু কিংবা দুর্ভিক্ষের আগমন ইত্যাদির কারণে প্রকৃতিতে এমন ঘটে।
রাসুল সা: তাদের এ ভুল বিশ্বাস খন্ডন করে বলেন, ‘সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ কারও জন্ম-মৃত্যুর কারণে হয় না, এগুলো আল্লাহর নিদর্শনাবলির দুটি নিদর্শন মাত্র। যখন তোমরা তা (সূর্য বা চন্দ্রগ্রহণ) দেখবে তখন নামাজে নিমগ্ন হবে।’ (বুখারি শরিফ, হাদিস: ১০৪২, মুসলিম শরিফ, হাদিস: ৯১৪।-হাদিস দু‘টির ব্যাখ্যা লক্ষণীয়)
নাসা অনুসারে, বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) আমেরিকার সময় সকাল ৭টা ২৬ মিনিটে গ্রহণটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছাবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত চাঁদ তিন দিন থাকবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এ বছরের অক্টোবরের পূর্ণিমাকে একটি সুপারমুন হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে, যেটি ঘটে যখন একটি চাঁদ তার কক্ষপথের নিকটতম বিন্দুতে বা তার কাছাকাছি থাকে, যার ফলে চাঁদ নাটকীয়ভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উজ্জ্বল এবং বড় দেখায়।
হান্টার মুন হবে টানা চারটি সুপারমুনের তৃতীয়, নাসা এবং থমাসের মতে এটি বছরের সবচেয়ে বড় এবং উজ্জ্বল সুপারমুন হবে।
গত ১৮ সেপ্টেম্বর এর আগে দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ হয় । আংশিক এ চন্দ্রগ্রহণটি বাংলাদেশ থেকে দেখা যায়নি।
বাংলাদেশ থেকে এ গ্রহণ দেখা না গেলেও অ্যান্টার্কটিকা, পশ্চিম ভারত মহাসাগর, আফ্রিকা, ইউরোপ, আটলান্টিক মহাসাগর ও পলিনেশিয়া অঞ্চল থেকে আংশিকভাবে দৃশ্যমান হয়।
পৃথিবী সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে এলে চন্দ্রগ্রহণ হয়। সেই সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপরে পড়ে।



