নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের আর্থিক খাতের খেলাপি ঋণ দ্রুত আদায় ও ঋণ শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘অর্থঋণ আদালত অধ্যাদেশ-২০২৫’ দ্রুত অনুমোদন করে জারি করার অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।
গভর্নর একটি আধা-সরকারি চিঠিতে অর্থ উপদেষ্টাকে বলেন, অধ্যাদেশটি জারি হলে (১) খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধারের সময়সীমা হ্রাস পাবে, (২) নির্বাহী সহায়তা মাধ্যমে প্রয়োগ শক্তিশালী হবে এবং (৩) আর্থিক পুনরুদ্ধার ব্যবস্থার দক্ষতা ও সুশাসন বৃদ্ধি পাবে।
গভর্নর জানান—খসড়া অধ্যাদেশে মোট ২০টি বিষয়কে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। প্রধান প্রধান সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত বিচারকদের পুল থেকে বিচারক নিয়োগ, ‘অর্থঋণ আপিল আদালত’ গঠন (উচ্চ আদালত সমপর্যায়ের), মামলা-পূর্ব জামানতকৃত সম্পদ বিক্রয়ের মাধ্যমে নিষ্পত্তি, জামানতকৃত সম্পদের বিক্রয়-বিধি, সমন জারি ও লিখিত জবাবের সময়সীমা, মুলতবির সীমা ও জরিমানা, এবং অর্থঋণ মামলার ৯০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তির বাধ্যতামূলক সময়সীমা।
এছাড়া রিকভারি সার্টিফিকেট পদ্ধতি ও রিকভারি অফিসার সংগ্রহ প্রক্রিয়া, সম্পদ অনুসন্ধান ও পুনরুদ্ধারের ক্ষমতা, খেলাপিদের বিরুদ্ধে এনআইডি-পাসপোর্ট-নির্বাচন-কোম্পানি পরিচালনায় সীমাবদ্ধতা আরোপসহ কার্যকরী আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রস্তাব করা হয়েছে। গভর্নর খসড়া অধ্যাদেশ আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম রীতিসম্মত করে তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে দ্রুত উপদেষ্টা পরিষদে পাঠিয়ে অধ্যাদেশ আকারে জারি করার অনুরোধ করেছেন।
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসেই এটি উপদেষ্টা পরিষদে পাঠানো হতে পারে এবং অনুমোদিত হলে দ্রুত অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হবে।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



