নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে গত দেড় দশকে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি, সুশাসনের অভাব আর প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ভিনদেশে খুব সহজেই পাচার হয়েছে টাকা। বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বলছে, এ সময়ে প্রায় সাড়ে ১৭ লাখ কোটি টাকা চলেগেছে। এসব পাচারের প্রায় ৮০ শতাংশই হয়েছে বাণিজ্যের মোড়কে। এরপরও আশারবাণী হচ্ছে, অর্ন্তবর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েই পাচার করা টাকা ফেরাতে এরই মধ্যে টাস্কফোর্স গঠন করেছে। এতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সবধরনের সহায়তা দিচ্ছে।মঙ্গলবার নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশনসহ (দুদক) সরকারের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দফতরগুলো অপরাধ বিষয়ে পারস্পরিক আইনগত সহায়তা চেয়ে যত ধরনের অনুরোধ পাঠায়, ‘অপরাধ সম্পর্কিত বিষয়ে পারস্পরিক সহায়তা আইন, ২০১২’ অনুযায়ী সেগুলো আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে পাঠানো হয়। তারপর জননিরাপত্তা বিভাগ সেগুলো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠালে সেই অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের নিকট কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় পাঠানো হয়। এই ধরনের অনুরোধের মধ্যে পাচার হওয়া অর্থ ফেরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট দেশের আইনগত সহায়তা প্রাপ্তির কেসের সংখ্যাই বেশি।’
তিনি আরও বলেন, এই বিষয়গুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দেশের জন্য নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস বা হাই কমিশন সব ধরনের সহায়তা দিয়ে আসছে।



