ঢাকা  শুক্রবার, ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeশিরোনামবিএডিসি প্রকল্পে দরপত্র লঙ্ঘন: অভিজ্ঞতাহীন প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ

বিএডিসি প্রকল্পে দরপত্র লঙ্ঘন: অভিজ্ঞতাহীন প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে দরপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে অভিজ্ঞতাহীন একটি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রকল্প পরিচালক ইব্রাহীম খলিল এবং সদস্য সচিব মাহামুদুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বিএডিসির চেয়ারম্যান বরাবর দেওয়া এক লিখিত অভিযোগপত্রে এসব অভিযোগ তুলে ধরা হয়। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিএডিসির “মডার্নাইজেশন অ্যান্ড ইমপ্রুভমেন্ট অব এক্সিস্টিং সিড প্রোডাকশন, প্রসেসিং অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন” প্রকল্পের আওতায় কয়েকটি দরপত্র আহ্বান করা হয়, যার মাধ্যমে ক্লিনার কাম গ্রেডার মেশিন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, দরপত্রে অংশগ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কাজের অভিজ্ঞতার সনদ বাধ্যতামূলক ছিল। তবে “ইসলাম এন্টারপ্রাইজ” নামের একটি প্রতিষ্ঠান এ ধরনের বৈধ অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ভুয়া সনদ দাখিল করে টেন্ডারে অংশ নেয়, যা দরপত্রের শর্তের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

এ ধরনের অনিয়মের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করার কথা থাকলেও, অভিযোগ অনুযায়ী উল্টো তাদের পক্ষেই কাজের অনুমোদন (নোটিশ অব অ্যাওয়ার্ড—NOA) জারি করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রকল্প পরিচালক ইব্রাহীম খলিল নিজেই এ অনুমোদন প্রদান করেন।

অভিযোগপত্রে আরও দাবি করা হয়, প্রকল্পের সদস্য সচিব মাহামুদুর রহমান অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করে প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ পাইয়ে দিতে মূল ভূমিকা পালন করেন। শুধু তাই নয়, যোগসাজশের মাধ্যমে “ইসলাম এন্টারপ্রাইজ”-কে প্রকল্পের প্রায় ৩০ শতাংশ কাজ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মাহামুদুর রহমানের অংশীদারিত্ব থাকার অভিযোগও উঠেছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রকল্প পরিচালক ইব্রাহীম খলিল এবং সদস্য সচিব মাহামুদুর রহমানের সঙ্গে ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

অভিযোগকারীরা বলছেন, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে অনিয়ম ও দুর্নীতির প্রকৃত চিত্র উঠে আসবে। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular