নিউজ ডেস্ক : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে দলের লক্ষ্য ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি করা। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে সাংগঠনিক শক্তি ও জনসমর্থন থাকলে দ্রুতভাবে নির্বাচন সম্ভব হবে।
গত মঙ্গলবার দিনাজপুরে হিলি কাস্টমস সিআ্যান্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভায় ডা. জাহিদ আরও বলেছেন, ব্যক্তিগত আমল ও ধর্মীয় নিষ্ঠার বিষয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো উচিত নয় — “আমি দোজখে যাবো না, বেহেশতে যাবো এটা আমার আমল বলে দিবে” বলে তিনি মন্তব্য করেছেন এবং ধর্মীয় নেতাদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
ডা. জাহিদ বলেন, বিএনপি সবসময়ই ধর্মীয় শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছে ও আলেম ওলামাদের সঙ্গে সংলাপ চালিয়ে যাচ্ছে; তাদের অংশগ্রহণই সমাজে সুশৃঙ্খলতা ও জনগণের আস্থাকে বাড়াবে বলে তিনি মানেন।
তিনি আরো বলেন, যেই দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ মুসলমান, যেই দেশ স্বাধীন হয়েছিল ১৯৪৭ সালে, সেই সময় পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশ হতো না। ১৯৪৭ সালে যদি বিভাজন না হতো তাহলে ৭১ এর পূর্ব পাকিস্তান আজকের এই বাংলাদেশ হতো না। বাংলাদেশটা একদিনে হয়নি বহুকাল সময়ের প্রক্রিয়া অনুযায়ী হয়েছে। এবং ইসলাম ও ধর্মীয় বিশ্বাস এবং এই দেশের মানুষের ইমান বাজি রেখে সঠিকভাবে ধারণ করার জন্য আপনারা যারা হজ করেছেন আরাফাতের ময়দানে গিয়েছেন সেই ময়দানের রাস্তা শহীদ জিয়া করেছেন।
একই আলোচনা সভায় তিনি ১৯৭১ সালের পূর্ব পাকিস্তান ও আজকের বাংলাদেশের পার্থক্য তুলে ধরেছেন এবং দেশপ্রেম ও ন্যায়বিচারের প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। রাজনৈতিক সংকট-প্রতিরোধ, গণসংযোগ ও নির্বাচন প্রস্তুতি—এই তিনটি বিষয়কে তিনি বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।
তিনি শেষে প্রত্যাশা প্রকাশ করেছেন যে অভ্যন্তরীণ বিভাজন কাটিয়ে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত নির্বাচন সম্ভব হবে এবং ধর্মীয় ও সাংগঠনিক নেতৃবৃন্দ এ প্রক্রিয়াকে সহায়তা করবেন।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



