ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআন্তর্জাতিকব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কিনা, জানে না ভারত

ব্রিকসে তারেক রহমান যাচ্ছেন কিনা, জানে না ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: নয়াদিল্লিতে আয়োজিত হতে যাওয়া আসন্ন ১৮তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লির ‘ভারত মণ্ডপমে’ অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই সম্মেলনে তারেক রহমানের যোগদানের বিষয়ে ভারতের কাছে এখনও কোনো চূড়ান্ত তথ্য নেই বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) নয়াদিল্লিতে আয়োজিত নিয়মিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ কথা জানান।

এর আগে ভারতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দুটি পৃথক উদ্দেশ্যে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়। প্রথমটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দ্বিপক্ষীয় সফরের আমন্ত্রণ এবং দ্বিতীয়টি বিমসটেকের (BIMSTEC) বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের ‘আউটরিচ’ অধিবেশনে অংশ নেওয়ার নিমন্ত্রণ।

তবে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ সত্ত্বেও তারেক রহমান শীর্ষ সম্মেলনে সশরীরে অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে ঢাকা এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় ব্রিকস সম্মেলনকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

এদিকে ব্রিফিংয়ে সম্প্রতি ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার প্রচারের বিষয়ে মুখপাত্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। রণধীর জয়সওয়াল সংক্ষিপ্ত উত্তরের মাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নীরবতা বজায় রেখে বলেন, “এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।”

উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ও বক্তব্য প্রকাশের পর ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে কিছুটা অস্বস্তি দেখা দিয়েছিল। ওই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার তীব্র প্রতিবাদ জানালে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া হয় যে, সেটি একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব আয়োজন ছিল এবং এর পেছনে ভারতের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। তবে সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকারের বিষয়ে এবার পুরোপুরি নীরব থাকার কৌশল বেছে নিয়েছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular