নিউজ ডেস্ক : মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) আপিল বিভাগের রায়ের অপেক্ষায় দেশের রাজনীতি; ২০ নভেম্বর আপিল বিভাগ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের বিষয়ে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবে।
তবে আইনজীবীরা বলেছেন, আদালত যদি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে দেয় তবুও আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সেই ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত হবে না।
কারণ সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের শর্ত অনুযায়ী সংসদ ভাঙ্গার পরে ১৫ দিনের মধ্যে এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়—এবার কোনো সংসদ নেই এবং এক বছরেরও বেশি সময় আগে সংসদ ভেঙে যায়। জামায়াতের পক্ষে শুনানি করা আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির এ যুক্তি তুলেছেন।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ আগামী রায় ঘোষণা করবেন; বেঞ্চের অন্য সদস্যরা ছিলেন মো. আশফাকুল ইসলাম, জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মো. রেজাউল হক, এস এম ইমদাদুল হক, এ কে এম আসাদুজ্জামান ও ফারাহ মাহবুব। মামলার শুনানি টানা দশ দিন চলেছে। রিটপক্ষে ড. শরীফ ভূঁইয়া, বিএনপির পক্ষে জয়নুল আবেদীন ও রুহুল কুদ্দুস কাজল, জামায়াত পক্ষে শিশির মনির, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।
ঐতিহাসিক পটভূমি হলো—তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিধান সংবিধানে ১৯৯৬ সালে অন্তর্ভুক্ত হয়; পরে নানান আদালত সিদ্ধান্তে ওঠানামা করে। ২০১১ সালে আপিল বিভাগ ১৩তম সংশোধনী বাতিল করে এবং পরবর্তী পঞ্চদশ সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা বিলোপ করা হয়। এখন আবার সেই সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনা চলছে।
রায়ের ফল ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে বড় প্রভাব ফেলবে—আইনি জটিলতা থাকলেও রাজনৈতিক মহল বিভক্ত; রায় ঘোষণার আগে দেশজুড়ে সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



