যুক্তরাষ্ট্রে হত্যার শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির গ্রামের বাড়িতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। শনিবার (২৫ এপ্রিল) বিকেলে মাদারীপুর সদর উপজেলার খোয়াজপুর ইউনিয়নের চর গোবিন্দুপুর এলাকায় তার বাড়িতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা যায়।
নিহত বৃষ্টি জহির উদ্দিন আকন ও আলভী বেগম দম্পতির মেয়ে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে পিএইচডি করছিলেন এবং নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যান বৃষ্টি। সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ হয়। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরে তার ও এক সহপাঠীর মৃত্যুর খবর জানতে পারেন স্বজনরা। তবে এখনো বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধার হয়নি বলে পরিবার দাবি করেছে।
স্বজনদের অভিযোগ, কীভাবে এবং কেন এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তা তারা জানেন না। তারা দ্রুত মরদেহ উদ্ধার করে দেশে আনা এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
বৃষ্টির চাচাতো বোন তুলি আকন বলেন, তার সহপাঠীর মরদেহ পাওয়া গেলেও বৃষ্টির মরদেহ এখনো মেলেনি। আরেক স্বজন ফজিলা আক্তার ও চাচা দানিয়াল আকনও এ ঘটনার বিচার দাবি করেন।
বৃষ্টির বাবা জহির উদ্দিন আকন বলেন, ‘আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই, এটা নিশ্চিত হয়েছি। তার মরদেহ উদ্ধার করে দেশে আনার দাবি জানাই।’
এ বিষয়ে মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, বিষয়টি দূতাবাসের মাধ্যমে সমন্বয় করা হবে এবং পরিবার চাইলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।




