ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeআবহাওয়া/পরিবেশলঘুচাপে ভারী বৃষ্টিসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা

লঘুচাপে ভারী বৃষ্টিসহ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা

নিউজ ডেস্ক: রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী ০৭ আগস্ট পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের কারণে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার সকাল থেকেই রাজধানীর আকাশ ছিল মেঘলা। বেলা ১১টার দিকে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়। দিনের বিভিন্ন সময় থেমে থেমে বৃষ্টি হয়েছে রাজধানীর কিছু এলাকায়।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাঁচ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় আছে। এর প্রভাবে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এ সময় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণেরও আশঙ্কা রয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবার সকাল থেকে ০৭ আগস্ট পর্যন্তও দেশের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এ সময় রংপুর, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু স্থানে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।

আগামী দুদিন তিস্তা ও দুধকুমার অববাহিকার পাঁচ জেলায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। পাশাপাশি আগামী তিন দিনের মধ্যে দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলের ১১ জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

সোমবার প্রকাশিত সতর্কবার্তায় বলা হয়, বর্তমানে কুশিয়ারা নদীর পানি সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী দুদিন তিস্তা ও দুধকুমার অববাহিকাভুক্ত লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।

এ ছাড়া আগামী তিন দিনের মধ্যে সুরমা-কুশিয়ারা অববাহিকার সিলেট ও সুনামগঞ্জ, ধরলা অববাহিকার লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা অববাহিকার কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়া এবং সোমেশ্বরী ও ভোগাই-কংস অববাহিকার শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে পানি সতর্কসীমা বা বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে। 

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular