মশিউর রহমান সেলিম, লাকসাম, কুমিল্লা : বহুল আলোচিত লাকসাম উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে নির্মিত ৬ লাখ টাকার ম্যুরাল নির্মাণ প্রকল্পটি এখন ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৩ লাখ টাকা। বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল প্রকল্পটি এখন উপজেলা পরিষদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
জানা যায়, উপজেলা পরিষদের রাজস্ব তহবিলের অর্থায়নে কান্দিরপাড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান ওমর ফারুকের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান মা এন্টারপ্রাইজ ৩২ লাখ, ৯৮ হাজার, ১ শ ৮৫ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে উক্তবঙ্গবন্ধু ম্যুরালটি নির্মাণ করেছিল। যা ৬ থেকে ১০ লাখ টাকার মধ্যে করা সম্ভব। কিন্তু এই মুরাল এখন উপজেলা পরিষদের গলার কাঁটা।
সুত্র বলছে, কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে উপজেলা পরিষদের নতুন কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। সামনে বিশাল মাঠ। এই মাঠ ও উপজেলা পরিষদের প্রধান ফটকের সামনে নির্মিত বঙ্গবন্ধু মুরালটি পুরো কমপ্লেক্সের সৌন্দর্য নষ্ট করেছে বলে মনে করেন বিশিষ্টজনরা।নিশাত এন্টারপ্রাইজ ও মা এন্টারপ্রাইজ নামে দুই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উক্ত কাজের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে মা এন্টারপ্রাইজ কার্যাদেশ প্রাপ্ত হয়েএ বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল নির্মাণ কাজ প্রকল্পটি সমাপ্তির পাশাপাশি বিল ও জামানতের টাকাও উত্তোলন করে নিয়েছে। বিশাল অংকের উক্ত মুরাল নির্মাণের ব্যয় নিয়ে এলাকার জনমনে নানাহ প্রশ্ন উঠেছে এবং ক্ষোভ বিরাজ করছে।
সূত্রটি আরও জানায়, ৫ আগস্ট পরবর্তীতে মা এন্টারপ্রাইজের মালিক ওমর ফারুক চেয়ারম্যান আত্মগোপনে থাকাকালীন সময়ে (অক্টোবর মাসে) জামানতের টাকা উত্তোলন হয়েছে। একজন চেয়ারম্যান সরকারের সাথে ঠিকাদারি ব্যবসায় জড়িত থাকতে পারবেনা মর্মে সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে এ এলাকায় শত শত কোটি টাকার কাজ করেছে। আত্মগোপনে থাকা ওই ব্যক্তির ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জামানতের টাকা কিভাবে উত্তোলন হলো এবং পূর্নাঙ্গ বিলের টাকাও উত্তোলন করে নিয়েছে যা অনেকটাই রহস্যজনক। এতে স্থাণীয় প্রশাসন ও বিএনপির রাজনৈতিক একাধিক নেতার হাত রয়েছে বলে গুঞ্জন শুনা যাচ্ছে।
এ ব্যাপারে এ ম্যুরাল প্রকল্পটি উন্নয়নে বিস্তারিত তথ্য জানতে উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে একাধিক বার মুঠো ফোনে জানতে চাইলে কেহই রহস্যজনক কারণে কোন তথ্য দিতে নারাজ।



