ঢাকা  রবিবার, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeলিডশিক্ষার্থীরা পাচ্ছে দীর্ঘ ছুটি

শিক্ষার্থীরা পাচ্ছে দীর্ঘ ছুটি

ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন অবকাশ উপলক্ষে দেশের সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে। সরকারি শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী ২৪ মে থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক স্কুল, কারিগরি প্রতিষ্ঠান এবং মাদ্রাসাগুলোতে একযোগে এই ছুটি কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

তবে বাস্তবিকভাবে শিক্ষার্থীরা ২১ মে বৃহস্পতিবারের ক্লাস শেষ করেই দীর্ঘ এই ছুটির আমেজ পেতে শুরু করবে। এর প্রধান কারণ হলো, ২৪ মে ছুটি শুরু হওয়ার আগের দুদিন অর্থাৎ ২২ মে শুক্রবার এবং ২৩ মে শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আগে থেকেই বন্ধ থাকবে। ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য ২১ মে হবে এই মৌসুমের শেষ কর্মদিবস।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত ছুটির তালিকা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক স্কুল এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ২৪ মে থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি ৪ জুন বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলবে। এরপর ৫ ও ৬ জুন যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার হওয়ায় সাপ্তাহিক ছুটির ধারাবাহিকতায় এসব প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত পাঠদান পুনরায় শুরু হবে আগামী ৭ জুন রোববার থেকে। এই হিসেবে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীরা সব মিলিয়ে টানা ১৬ দিনের একটি দীর্ঘ বিরতি উপভোগ করার সুযোগ পাচ্ছে।

অন্যদিকে দেশের সব ধরনের মাদ্রাসায় এই ছুটির মেয়াদ আরও দীর্ঘ হতে যাচ্ছে। মাদ্রাসা শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আলিয়া, দাখিল, আলিম, ফাজিল ও কামিল স্তরে ২৪ মে থেকে শুরু হওয়া এই ছুটি চলবে ১১ জুন বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। পরবর্তী ১২ ও ১৩ জুন সাপ্তাহিক ছুটি শেষ হওয়ার পর আগামী ১৪ জুন রোববার থেকে পুনরায় মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষগুলো খুলবে। এর ফলে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা প্রায় ২১ থেকে ২৩ দিনের এক বিশাল অবকাশ কাটানোর সুযোগ পাচ্ছে।

দীর্ঘ এই ছুটির পর জুন মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও বছরের পরবর্তী মাসগুলোতেও বেশ কিছু ছুটির দিন নির্ধারিত রয়েছে। শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, আগামী ২৯ জুলাই আষাঢ়ী পূর্ণিমা উপলক্ষে একদিনের ছুটি থাকবে। এছাড়া আগস্ট মাসে ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’, ১২ আগস্ট আখেরি চাহার সোম্বা এবং ২৬ আগস্ট ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। পরবর্তী সেপ্টেম্বর মাসেও শুভ জন্মাষ্টমী ও ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে নিয়মিত ছুটির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাধারণত পবিত্র ঈদুল আজহা ও গ্রীষ্মকালীন প্রচণ্ড দাবদাহের সময় শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিশ্রামের কথা বিবেচনা করেই প্রতিবছর শিক্ষাপঞ্জিতে এমন দীর্ঘ ছুটির পরিকল্পনা করে সরকার।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular