ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
Homeসারাদেশনোয়াখালীশ্রেণিকক্ষে ঝাঁঝালো গন্ধ, অচেতন ২৭ শিক্ষার্থী

শ্রেণিকক্ষে ঝাঁঝালো গন্ধ, অচেতন ২৭ শিক্ষার্থী

নিউজ ডেস্ক: নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ঝাঁঝালো গন্ধে অচেতন হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১২ শিক্ষার্থী। অসুস্থ হয়ে বাড়িতে চিকিৎসা নিয়েছে আরও ১২-১৫ জন। সোমবার সকালে উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে অভিভাবক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দেয়।

সূত্র জানায়, আজ সকাল ১০টার দিকে বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান শুরু হয়। ঘণ্টাখানেক পর হঠাৎ করে সপ্তম শ্রেণির চার ছাত্রী অচেতন হয়ে পড়ে শ্রেণিকক্ষে ঢলে পড়ে। তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সেখানে স্বজনের সেবায় তাদের জ্ঞান ফেরে। কিছুক্ষণ পর আরও কয়েকটি শ্রেণিকক্ষে ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মানসুর উদ্দিনের দেওয়া তথ্যমতে, এদিন দুপুর ২টা পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ১০ জনকে আনা হয়। তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয়েছে। এ শিক্ষার্থীদের অনেকের জ্ঞান তখনও পর্যন্ত ফেরেনি।

হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ছাত্রীদের মধ্যে ফাতেমা বেগম (১২), নিপা আক্তার (১২), মেহেরাব উদ্দিন (১১), ফারহানা আক্তার (১২), জামেলা বেগম (১৪), সুরাইয়া আক্তার (১৩), পারভীন আক্তারের (১৫) নাম জানা গেছে। তারা সবাই তমরদ্দি জোড়খালি গ্রামের বাসিন্দা।

তবে শিক্ষার্থীদের অচেতন হওয়ার কারণ সম্পর্কে কিছুই জানাতে পারেননি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন। তিনি বলেন, প্রথমে যারা জ্ঞান হারায় বাড়িতে পাঠানোর পর তাদের জ্ঞান ফিরে আসে। পরে যারা অজ্ঞান হয়, তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পরও জ্ঞান ফেরেনি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রবিউল ইসলাম নিলয় এদিন বিকেলে বলেন, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অবস্থা সংকটাপন্ন কিনা, তা ১২ ঘণ্টা পার হওয়ার পর বলা যাবে। তাদের অনেকের জ্ঞান ফেরেনি। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। তিনি রোগীর অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, কোনো ঝাঁঝালো গন্ধের কারণে শ্রেণিকক্ষে এই শিশুরা অচেতন হয়ে যায়।

সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষণিক হাসপাতালে ছুটে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অভিভাবকের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভিড়ও জমে যায়।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular