স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের সঙ্গে একই টেবিলে বাহরাইন ও মরক্কোর নেতারাও ছিলেন। ট্রাম্প ছাড়াও এখন পর্যন্ত আরও ১৯ দেশের নেতারা এতে স্বাক্ষর করেছেন।
স্বাক্ষরের আগে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যা করছি, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমি সত্যিই এখানে এসে এটি করতে চেয়েছিলাম। এর চেয়ে ভালো জায়গা আর হতে পারে না।’
ডব্লিউইএফের বার্ষিক অধিবেশন উপলক্ষে বর্তমানে শতাধিক দেশের নেতা ও শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা দাভোসে অবস্থান করছেন। এদিন ডব্লিউইএফের একফাঁকে শান্তি সনদসংক্রান্ত সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেন, ‘অভিনন্দন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এই সনদ এখন পুরোপুরি কার্যকর হয়েছে। আর শান্তি পর্ষদ এখন একটি আনুষ্ঠানিক আন্তর্জাতিক সংস্থা।’
প্রাথমিকভাবে গাজাকে লক্ষ্য করে শান্তি পর্ষদের ঘোষণা দেওয়া হলেও পরবর্তীকালে এর লক্ষ্য বিস্তৃত করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের সংঘাত নিরসনে কাজ করবে শান্তি পর্ষদ। অন্যদিকে, ট্রাম্প এটিকে ‘অকেজো’ জাতিসংঘের বিকল্প বলে উল্লেখ করেছেন।
জাতিসংঘের পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের মধ্যে এখনো কেউ শান্তি পর্ষদে যোগ দেওয়ার কথা নিশ্চিত করেনি। ফ্রান্স সরাসরি জানিয়েছে যে তারা এতে যোগ দেবে না। গতকাল বুধবার রাশিয়া বলেছে, তারা প্রস্তাবটি খতিয়ে দেখছে। আজ যুক্তরাজ্য জানিয়েছে, এই মুহূর্তে তারা এতে যোগ দেবে না। অন্যদিকে চীন এখনো কোনো মন্তব্য করেনি।
সূত্র: আল–জাজিরা




