নিউজ ডেস্ক : সরকারের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ‘বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ খসড়া প্রকাশ করেছে, যাতে ইন্টারনেট বন্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ টেলিকম খাতে স্বচ্ছতা ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে যুগোপযোগী ধারা রাখা হয়েছে।
আগে এই বছরই ‘টেলিকমিউনিকেশন নেটওয়ার্ক অ্যান্ড লাইসেন্সিং পলিসি’ উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদন পেয়ে গেজেট হিসেবে জারি করা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য—লাইসেন্সিংয়ে স্তরায়ন কমিয়ে মধ্যসত্ত্বভোগীদের ভূমিকা হ্রাস করে সুলভ ও প্রতিযোগিতামূলক সেবা নিশ্চিত করা।
নীতিমালায় লাইসেন্স কাঠামো সহজ করে তিনটি স্তরে নিয়ে এসে স্যাটেলাইটভিত্তিক সেবার জন্য আলাদা একটি লাইসেন্স রাখা হয়েছে; ফলে কার্যত তিন যোগ এক — মোট চার ধরনের লাইসেন্সের মাধ্যমে সারা খাতের সেবা দেওয়া যাবে।
এতে মধ্যস্বত্ত্বভোগী কমে গ্রাহকসেবা সহজ হবে বলে আশা করা হয়েছে।
ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় অংশীজন ও সর্বসাধারণকে মতামত প্রদানের জন্য ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। খসড়া সম্পর্কে ইমেইলে বা চিঠির মাধ্যমে মতামত পাঠানো যাবে।
তবে মোবাইল অপারেটর রবি ও বাংলালিংক নতুন নীতিকে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে; বিশেষ করে বিদেশি বিনিয়োগ ও বাধ্যতামূলক মালিকানা সংক্রান্ত ধারা বিনিয়োগে প্রভাব ফেলতে পারে বলে তারা উল্লেখ করেছে।
সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো, সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া মিশ্র। নীতির সঠিক প্রয়োগ হলে গ্রাহকপ্রতিষ্ঠা ও ন্যায্য প্রতিযোগিতা বাড়াতে সহায়তা করবে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন।
ঢাকানিউজ২৪/মহফ



