নিউজ ডেস্ক : উচ্চ আদালতের নির্দেশে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার ঘটনায় টাস্কফোর্স গঠনের পর তদন্ত শুরু করেছে। আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির জানালেন, সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্তে বাধা দেয়া অনেককে চিহ্নিত করা গেছে। আশার আলো দেখতে শুরু করেছে রুনির পরিবার।
মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ১৩ বছর পূর্তিতে হাইকোর্টে মামলার তদন্তের অগ্রগতি তুলে ধরেন বাদীর আইনজীবী।রুনির ভাই মামলার বাদী নওশের রোমানসহ সঙ্গে ছিলেন ছেলে মাহির সরোয়ার মেঘ।
শিশির মনির জানান, ১৩ বছরেও হত্যা রহস্য উন্মোচন না হওয়া রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতা। তবে মামলার তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। অতীতে উচ্চ পর্যায় থেকে তদন্ত কাজ বাধাগ্রস্ত করা হয়েছিল। যারা বাধা দিয়েছিলেন, তাদের নাম তদন্তে উঠে আসবে। অনেককে চিহ্নিত করা গেছে। তাই আশার আলো দেখা যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে উচ্চ পর্যায় থেকে তদন্তে বাধা ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। পরিকল্পভাবে নষ্ট করা হয় মামলার আলামত। জড়িতদের অনেককেই টাস্কফোর্স চিহ্নিত করতে পেরেছে।
রুনির ভাই নওশের রোমান বলেন, ‘কিছুটা আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার এবং তাদের সংশ্লিষ্ট কেউ জড়িত বলে মনে হচ্ছে। সেই কারণেই তদন্তে বাধা দেয়া হয়েছিল।’
রুনির একমাত্র সন্তান মেঘও বলছেন, এবার তারা আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘আগে তো কিছুই হয়নি। এখন টাস্কফোর্স কাজ করছে। আশা করা যাচ্ছে ইতিবাচক কিছু হবে।’
আগামী ৪ এপ্রিল মামলার তদন্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন হাইকোর্ট দাখিল করার কথা রয়েছে টাস্কফোর্সের। তখনই সব খোলাসা হবে বলে মনে করেন আইনজীবী শিশির মনির।
হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন সাংবাদিকরা। অপরাধী যেই হোক আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয় সমাবেশ থেকে। এই সরকারের আমলেই বিচার নিশ্চিতের দাবি জানান তারা।



