সুপ্রিম কোর্ট বার: নৈতিকতার দ্বিমুখী কথাসাহিত্য — অতীতে নিষিদ্ধ জামাতের সঙ্গে প্যানেল দিয়ে আজ অন্যকে অযোগ্য বলেন কিভাবে?
ইদানীং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে একটি অদ্ভুত নাটক মঞ্চস্থ হচ্ছে — যেখানে নায়করা নিজেরাই পর্দার আড়ালে খলনায়কের ভূমিকা পালন করছেন।
সর্ব জনাব জয়নুল আবেদীন, মাহবুব উদ্দিন খোকন, কায়সার কামাল — এঁরা কেবল আইনজীবী নন, রাজনৈতিক পরিচয়ে সুস্পষ্টভাবে চিহ্নিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা এবং বিএনপিপন্থী আইনজীবী নেতা। ৫ আগস্টের পর গণঅভ্যুত্থানের রক্ত এখনো শুকায়নি — জুলাই হত্যাকাণ্ডে নিহতদের পরিবার এখনো বিচার পাননি — সেই মুহূর্তে এঁরা ছুটে গেছেন সেই অভিযুক্তদের পক্ষ নিতে, যাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ।
ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে সুপ্রিম কোর্টে আওয়ামীপন্থী আইনজীবীদের করা মামলার প্রায় ৯০ শতাংশ সিনিয়র ব্রিফ পরিচালনা করেছেন এই তিনজন আইনজীবী। বিস্ময়কর বিষয় হলো, সেই বিপুল অংকের পেশাগত লেনদেনের সময় আওয়ামী লীগ বা তাদের সংশ্লিষ্টদের ‘নিষিদ্ধ’ কিংবা ‘অযোগ্য’ বলে একবারও মনে হয়নি। অথচ সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনের প্রাক্কালে ঠিক তারাই আবার নীতি-নৈতিকতার দোহাই দিয়ে বলছেন, আওয়ামীপন্থীরা নির্বাচনে লড়তে পারবেন না।




