নিউজ ডেস্ক: ‘প্রত্যেকটি স্কুল-কলেজকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত হতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আইনত একই রাষ্ট্রে অন্য কোনো পদ্ধতি থাকে না।’ জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ‘ক্যামব্রিজ ও ব্রিটিশ কাউন্সিল পারমিসেবল। তবে তাদের কীভাবে রেগুলেটরির আন্ডারে আনা যায়, সে বিষয়েও আমরা আগামীতে উদ্যোগ নেব।’
ইংরেজি মাধ্যম স্কুলগুলোকে নীতিমালার আওতায় আনার কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের সময়ে হেরিটেজ, কালচার, হিস্ট্রি, রিলিজিওন্সকে গুরুত্ব দিয়ে বাংলাপিডিয়াতে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম। কিন্তু আমরা তখন ওদেরকে (ইংলিশ মিডিয়ামকে মন্ত্রণালয়ের) রেগুলেটরিতে আনতে পারিনি। সেই সময় এই উদ্যোগটা নিয়েও নেওয়া হয়নি। সেটা ভিন্ন গল্প। এবার আমার সাথে প্রতিমন্ত্রীর কথা হয়েছে। আমরা ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলগুলোকে কীভাবে মন্ত্রণালয়ের রেগুলেটরির আন্ডারে আনা যায়, সেই ব্যবস্থা আমাদের নিতেই হবে।’
শিগগিরই কারিকুলাম রিভিউ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যেখানে যা পরিমার্জন করা প্রয়োজন, সেটা আমরা করব। সেজন্য আমাদের ইন্টার্নাল প্রিপারেশন নিতে হবে। যারা কারিকুলাম এক্সপার্ট রয়েছে, তাদের মধ্যেও সমন্বয় সাধন করা লাগবে।’
তিনি আরও বলেন, শিক্ষা খাতে বাজেট ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া হবে। সেই সঙ্গে শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না খরচের গুণগত মানও বাড়াতে হবে। মাধ্যমিক থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হবে।
এ ছাড়া শিক্ষক প্রশিক্ষণকে শক্তিশালী করা, তৃতীয় ভাষা শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।
এ সময় তার সঙ্গে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও উপস্থিত ছিলেন।




