নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে টানা ভারী বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়া বইছে উপকূলীয় জেলা ভোলায়। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন এখানকার নিম্নআয়ের খেটে খাওয়া মানুষ।
বৈরী আবহাওয়ায় ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া কিছুটা উত্তাল রয়েছে। তবে স্বাভাবিক রয়েছে ভোলার অভ্যন্তরীণ সব নৌরুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচল।
বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্ধারিত সময়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো খুললেও শহরে তুলনামূলক জনসমাগম কম। সড়কে যানবাহনের উপস্থিতিও বেশ কম রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো.আবির বলেন, মধ্যরাত থেকে টানা বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে সঙ্গে দমকা হাওয়া বইছে। বৃষ্টি উপেক্ষা করে পরিবারের জন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনার জন্য ছাতা মাথায় বের হয়েছি।
শহরের খালপাড়ের শ্রমিক মো.কাউসার ও কবির বলেন, প্রতিদিনের মতো আজও সকাল ৮টার দিকে খালপাড়ে কাজের জন্য এসেছি। আমরা দিন এনে খাই একদিন কাজ করতে না পারলে সংসার চালাতে কষ্ট হয়। আজ সকাল থেকেই টানা বৃষ্টি অব্যাহত আছে, দুপুর হয়ে গেলো এখনো কাজ শুরু করতে পারছি না।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর ভোলার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত চলছে।
বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় ভোলায় ৬৪ দশমিক ৯ মিলিমিটার ভারী বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী ৫ দিন ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস রয়েছে।




