ঢাকা  বুধবার, ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ          সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

spot_img
HomeUncategorized৩০ কোটি ডলার লেনদেনে এফবিআই তদন্ত

৩০ কোটি ডলার লেনদেনে এফবিআই তদন্ত

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ শেষে আর্জেন্টিনা দলের দেশে ফেরার প্রস্তুতির মধ্যেই আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও ‘চিকি’ তাপিয়াকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা (এফবিআই) ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের আর্থিক লেনদেন নিয়ে তদন্ত করছে এবং সেই সূত্রেই তাপিয়ার সঙ্গে কথা বলা হয়েছে।

আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম ইনফোবায়ে–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ শেষে দলের সঙ্গে বুয়েন্স আইরেসে ফেরার আগে বিমানবন্দরে তাপিয়া ও এএফএর কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোকে শত শত মিলিয়ন ডলারের স্পন্সরশিপ অর্থ পাচারের অভিযোগে ফেডারেল এজেন্টরা প্রায় ৩০ মিনিট জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একই প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়, তদন্তের অংশ হিসেবে তাপিয়ার মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে এবং তাকে অল্প সময়ের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।

তবে এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন। এক বিবৃতিতে এএফএ জানায়, সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া বা কোষাধ্যক্ষ পাবলো তোভিগিনোকে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো আদালত সাক্ষ্য দেওয়ার নির্দেশ দেয়নি এবং তারা তদন্তের সরাসরি লক্ষ্যও নন।

সংস্থাটি অবশ্য স্বীকার করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের একটি গ্র্যান্ড জুরির সামনে হাজির হওয়ার জন্য তৃতীয় এক ব্যক্তিকে তলব করা হয়েছে। ওই ব্যক্তি এএফএর কয়েকজন কর্মকর্তাসহ একাধিক ব্যক্তির বিষয়ে তথ্য দিতে পারেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে তার পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, এএফএর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৩০০ মিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের কয়েকটি বাণিজ্যিক চুক্তি এবং অর্থ স্থানান্তর তদন্তের আওতায় এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে এসব অর্থের লেনদেনে অর্থপাচার বা আর্থিক অনিয়ম হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে মার্কিন কর্তৃপক্ষ।

খবরে আরও দাবি করা হয়েছে, তদন্তকারীদের হাতে থাকা ব্যাংকিং নথিতে কয়েকটি মার্কিন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে মিলিয়ন ডলারের লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব অর্থের একটি অংশ স্বল্প সময়ের জন্য নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে রাখা হয়েছিল, পরে তা অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়। এসব লেনদেনের উদ্দেশ্য ও বৈধতা যাচাই করতেই তদন্ত চালানো হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যদিও তদন্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে নানা দাবি উঠে এসেছে, এএফএ এখন পর্যন্ত তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে। সংস্থাটির দাবি, ক্লদিও তাপিয়া বা পাবলো তোভিগিনোকে লক্ষ্য করে কোনো বিচারিক নির্দেশ বা আনুষ্ঠানিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular