• ঢাকা
  • শুক্রবার, ৬ কার্তিক ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২২ অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

পেয়াজ চিনি সয়াবিনে শুল্ক হ্রাসের প্রস্তাব এনবিআরকে


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:০৫ এএম
তপন
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন তপন কান্তি ঘোষ

সুমন দত্ত: দেশে হঠাৎ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এনবিআরকে পেয়াজ, চিনি ও সয়াবিন তেলের ওপর শুল্ক কমানের প্রস্তাব করেছে। সোমবার এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশ এনবিআরকে পাঠানো হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত করা হয়। কয়েক মাসের জন্য এই নির্দেশ বলবত থাকবে বলে জানান বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ। এদিন ভার্চুয়ালি যোগ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।.

 নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যবৃদ্ধি রোধে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। সোমবার মন্ত্রণালয়ে  সম্মেলন কক্ষে  দেশের আমদানিকারক ও পাইকারি খুচরা বিক্রেতার সঙ্গে বাণিজ্য সচিবের এক বৈঠক হয়। এদিন বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা জানান। তেল, পেয়াজ, চিনি ও মসুর ডালের দাম কিভাবে সহনীয় মাত্রায় রাখা যায় এসব নিয়ে কথা বলেন তিনি। এসময় বৈঠকের উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশব্যাংক, এনবিআর, কৃষি ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা। তাদের সঙ্গে কথা বলার পর সংবাদ সম্মেলনে বাণিজ্য সচিব বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্তের কথা জানান। এতে ভার্চুয়ালি যোগ দেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।.

বাণিজ্য সচিব বলেন, পেয়াজের দাম ঠিক রাখতে এনবিআরকে ৫% আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে। পেয়াজের কোয়ারেন্টাইন পরীক্ষা দ্রুত করতে ও আইপি ইস্যু করতে কৃষি মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেসব জেলায় পেয়াজের চাষ হয় সেখানকার ডিসিদের এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে বলা হয়েছে। পেয়াজ বোঝাই ট্রাক পারাপারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।.

চিনি, অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের শুল্ক হ্রাস করতে এনবিআরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বাজার মনিটরিং করার জন্য সরকারি বিভিন্ন সংস্থা ও মন্ত্রণালয় দায়িত্ব পালন করছে। ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে এ কাজ চলমান রয়েছে।.

 পেয়াজের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, দেশে আপাতত দুই থেকে তিন মাস পেয়াজের মজুত রয়েছে। আগামীতে মিয়ানমার থেকে পেয়াজ আনা হবে। আরো কয়েক দেশ থেকে পেয়াজ আনার পরিকল্পনা রয়েছে। .

পেয়াজের ঘাটতির বিষয়ে বাণিজ্য সচিব বলেন, ভারতে অতিবৃষ্টির কারণে পেয়াজ উৎপাদন কমে যাওয়ায় সেখানে পেয়াজের দাম বেড়ে গেছে। এ কারণে পেয়াজের বাজার অস্থিতিশীল। তিনি বলেন দেশে ৮০ পারসেন্ট পেয়াজ উৎপাদন হয়। বাকী ২০ পারসেন্ট আমদানি করতে হয়। এছাড়া টিসিবির মাধ্যমে পেয়াজ, তেল, চিনি ন্যায্যমূল্যে বিক্রি করার কার্যক্রম চালু আছে।  
 . .

ঢাকানিউজ২৪.কম / এসডি

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image