• ঢাকা
  • রবিবার, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ২২ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

আজ পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: সোমবার, ২১ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১০:০৩ এএম
কলাপাড়ায়  উত্সবমুখর পরিস্হিতি তৈরি হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:   দেশে এখন পর্যন্ত নির্মিত সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হতে যাচ্ছে আজ। অপেক্ষাকৃত পরিবেশবান্ধব আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তিতে নির্মিত দেশের প্রথম কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটির নির্মাণ নির্ধারিত সময়ের আগে এবং প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে কম খরচে সম্পন্ন হয়েছে। এর মাধ্যমে টেকসই ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর মধ্যে একটি বড় প্রকল্প সম্পন্ন হলো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৩২০টি পায়রা উড়িয়ে আজ এ বড়  অর্জনের উদ্বোধন করবেন। করোনাকালে কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি প্রথমবারের মতো সশরীরে উপস্হিত হবেন। এছাড়া আজ দেশে শতভাগ বিদ্যুতায়নের ঘোষণাও দেবেন তিনি। দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম এমন মাইলফলক অর্জন করলো।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন ঘিরে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এখন উত্সবমুখর পরিস্হিতি তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের কর্মকর্তা, স্হানীয় রাজনৈতিক নেতাকমী‌র্ ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ব্যস্ত সময় কাটছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরো যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ, ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্টÌদূত লি জিমিং ও বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান।

দুই ইউনিটের পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট কেন্দ্রটির প্রতি ইউনিটের উত্পাদন ক্ষমতা ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। বাংলাদেশের নর্থ-ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি (এনডব্লিউপিজিসিএল) এবং চীনের চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট এন্ড এক্সপোর্টের (সিএমসি) সমান মালিকানায় কেন্দ্রটি নির্মিত হয়েছে। যৌথ মালিকানার কোম্পানির নাম বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল)। পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ইউনিয়নে এটি নির্মিত হয়েছে। নির্মাণ ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেছে কনসোর্টিয়াম অব এনইপিসি এন্ড সিইসিসি।

কেন্দ্রটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছিল ২৪৮ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ২১ হাজার কোটি টাকা। অথচ প্রকল্পশেষে ব্যয় হয়েছে ২৩০ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় ১৯ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা। দেশের বড় প্রকল্পগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম যা প্রাক্কলিত ব্যয়সীমার চেয়ে কমে কাজ শেষ করলো। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চে এনডব্লিউপিজিসিএল এবং সিএমসির মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। দরপত্র আহবান করা হয় ২০১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। পরের বছর ২০১৬ সালের ২৯ মার্চে ঠিকাদারের সঙ্গে নির্মাণ (ইপিসি) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি অনুযায়ী পরবর্তী ৪৮ মাসের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করার কথা ছিল। নির্মাণশেষে ২০২০ সালের ফেব্র‚য়ারিতেই কেন্দ্রে পরীক্ষামূলক উত্পাদন শুরু হয়। এরপর কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে এবং দ্বিতীয় ইউনিটে বাণিজ্যিক উত্পাদন শুরু হয় যথাক্রমে ২০২০ সালের ১৫ মে এবং একই বছরের ৮ ডিসেম্বর। বর্তমানে একই কমপ্লেক্সে আরেকটি পৃথক ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ চলছে। সেই কেন্দ্রটির ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের কাজ ইতিমধ্যে ২১ শতাংশ এগিয়েছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image