• ঢাকা
  • রবিবার, ১০ মাঘ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ; ২৩ জানুয়ারী, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

রায়হান হত্যার অভিযোগ গঠন


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ০৮:১৩ পিএম
রায়হান পরিবার
ইনসেটে এস আই আকবর

জামান চৌধুরী: সিলেটের আলোচিত রায়হান হত্যাকান্ডের আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর আদালত। আসামিরা হচ্ছেন বরখাস্তকৃত এস.আই আকবর হোসেন ভুঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটুচন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদ। একইসাথে আদালত নোমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। বিষয়টি  নিশ্চিত করেছেন মহানগর পুলিশের আদালত পরিদর্শক প্রদীপ চন্দ্র দাশ।
 
বৃহস্পতিবার (৩০ সেপ্টেম্বরে) সকালে অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর আদালতের বিচারক আবুল মোমেন অভিযোগ গঠন করেন। 

২০২০ সালের ১১ অক্টোবর রায়হানকে পুলিশের হেফাজতে নির্যাতন করে মেরে ফেলা হয়। নির্মম এ হত্যাকান্ডের অভিযোগ ছিল বন্দরবাজার ফাড়ির পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। আসামিরা হচ্ছেন বরখাস্তকৃত এস.আই আকবর হোসেন ভুঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটুচন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদ।

বৃহস্পতিবার আদালতে অভিযোগ গঠনের সময় অভিযুক্তদের সেখানে উপস্থিত করা হয়।  এর আগে রায়হানের পরিবারের সদস্যরা সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে আসামিদের উপস্থিতিতে সাক্ষ্য দিয়েছিল। 

সিলেট শহরের আখালিয়ার এলাকার বাসিন্দা ছিলেন রায়হান আহমদ। তাকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি সেখানে মারা যান। পরদিন তার স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নী কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলাটির তদন্তে প্রথমে পুলিশ ছিল। পরে ১৩ অক্টোবর মামলাটি স্থানান্তর করা হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কাছে। 

গত ৫ মে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক আওলাদ হোসেন আদালতে ১ হাজার ৯০০ পৃষ্ঠার চার্জশিট দাখিল করেন। 

যে ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছিল, তাদের পাঁচজনই পুলিশ সদস্য। তারা হলেন- বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন ইনচার্জ এসআই আকবর হোসেন ভুঁইয়া, এসআই হাসান উদ্দিন, এএসআই আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটুচন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদ।

অভিযুক্ত অপরজন আব্দুল্লাহ আল নোমান, যার বাড়ি কোম্পানীগঞ্জে। তার বিরুদ্ধে ঘটনার পর ভিডিও ফুটেজ গায়েব করার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্য কারাগারে থাকলেও নোমান এখনও পলাতক রয়েছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি ভারতে পালিয়ে গেছে।

এদিকে, পুলিশ হেফাজতে রায়হানের মৃত্যুর ঘটনায় ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তার শরীরে ১১১টি আঘাতের চিহ্ন থাকার কথা উল্লেখ করা হয়।

প্রসঙ্গত,  ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর রায়হান হত্যা ঘটনার পর পালিয়ে যান এসআই আকবর। পরে গেল বছরের ৯ নভেম্বর দুপুরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ ইউনিয়নের ডোনা সীমান্ত এলাকা থেকে এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়া গ্রেফতার করে পুলিশ। 
 

ঢাকানিউজ২৪.কম / এসডি

আইন ও আদালত বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image