• ঢাকা
  • বুধবার, ২৫ শ্রাবণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১০ আগষ্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

দেশের পোশাকশিল্প ধসের শঙ্কা


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩০ জুন, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০১:১৫ পিএম
পোশাকশিল্প ধসের শঙ্কা
পোশাকশিল্প

নিউজ ডেস্ক : দুর্ঘটনা এড়াতে সরকারি সংস্থাগুলোর কঠিন শর্তারোপে কেমিক্যাল আমদানি নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়। ফলে কেমিক্যালভিত্তিক কারখানা বন্ধ হওয়ার পাশাপাশি জটিলতার মুখে পড়েছে পোশাকশিল্প। কেমিক্যাল পরিবহনে বিদেশি জাহাজ মালিকদের অনীহায় বাংলাদেশের শিল্পকারখানাগুলো মারাত্মক সংকটের মধ্যে পড়েছে।

কেমিক্যাল আমদানিতে কোনো রকম বিধিনিষেধ আরোপের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান।

সীতাকুণ্ডের বিএম ডিপোর অগ্নিকাণ্ডের পর বিদেশি জাহাজগুলো বাংলাদেশ থেকে রফতানিযোগ্য কেমিক্যাল পরিবহনে অনীহা জানিয়ে আসছিল। এখন তার সঙ্গে শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত কেমিক্যাল আমদানির ক্ষেত্রেও অঘোষিত বিধিনিষেধ আরোপ করায় চরম বেকায়দায় পড়েছে দেশের অধিকাংশ কারখানা।

দেশের পোশাক কারখানাগুলোতে কেমিক্যাল মজুতের ব্যবস্থা না থাকায় নিয়মিত আমদানির ওপর তাদের ভরসা করতে হয়। কিন্তু এক মাস ধরে কেমিক্যাল আমদানিতে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় উৎপাদন প্রক্রিয়ায় ধস নামার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম বলেন, ‘কেমিক্যাল যদি আমরা আনানেয়া করতে না পারি, তাহলে বাংলাদেশের অর্থনীতি খুব ক্ষতির সম্মুখীন হবে।’

অভিযোগ উঠেছে, বিদেশি জাহাজ মালিকদের পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকেও কেমিক্যালের ক্ষেত্রে কঠিন শর্তারোপ করা হয়েছে। যেকোনো দুর্ঘটনার দায় শিপিং এজেন্টকে নিতে হবে–এ ধরনের অঙ্গীকারনামা নেয়ায় নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে বলে অভিযোগ ব্যবসায়ীদের।

বিজিএমইএর সাবেক প্রথম সহসভাপতি এস এস আবু তৈয়ব বলেন, ‘গার্মেন্ট ফ্যাক্টরিতে যেমন কমপ্লায়েন্স হয়েছে, কেমিক্যালের জন্যও কমপ্লায়েন্সে আসতে পারে। এই কমপ্লায়েন্স করে কেমিক্যাল কীভাবে দ্রুত আমদানি-রফতানিটা ‍শুরু করবে, সেটার ব্যাপারে আমাদের মনে হয় খুব বেশি মনোযোগ দেয়ার প্রয়োজন।’

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ মোহাম্মদ আরিফ বলেন, ‘দেশের স্বার্থে এই আমদানি আসতে হবে, না-হলে আমাদের মিল-ফ্যাক্টরি বন্ধ হয়ে যাবে। এ জন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। যতদিন আমরা বিষয়গুলোকে সহজতর করতে না পারব, শিপিং এজেন্টগুলোর মন থেকে ভয়ভীতি যাবে না, ফলে জটিলতা হবে।’

কেমিক্যাল আমদানিতে কিছুটা কঠোর হলেও কোনো রকম বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি বলে দাবি বন্দর চেয়ারম্যানের।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, ‘চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ কিন্তু এই ঘটনার পরও কোনো ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করেনি। আমরা শুধু বলছি, সবাই যেন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা অবলম্বন করে। তারা যেন কেমিক্যাল ও ডিজি গার্মেন্ট আমদানি-রফতানি করে।’

সীতাকুণ্ডের বিএম কনটেইনার ডিপোর দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশ থেকে নতুন করে কোনো কেমিক্যাল রফতানি করা যায়নি। চারটি বেসরকারি ডিপোতে এখনো ১৬০ কনটেইনার কেমিক্যাল আটকা পড়ে আছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

অর্থনীতি বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image