• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ১৯ মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

৭মার্চের ভাষণের আদলে নির্মিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: রবিবার, ০৬ মার্চ, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ০৯:৪১ পিএম
দেশের সর্বোচ্চ এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ শিল্পী এম এ মাসুদ
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য

গৌরীপুর সংবাদদাতা:  “এবারে সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম” ১৯ মিনিটের বঙ্গবন্ধুর অলিখিত যে ভাষণে ছিলো স্বাধীনতার ঘোষণা, যে ভাষণে পাল্টে গিয়েছিলো দেশের প্রেক্ষাপট, দেশ মাতৃকাকে মুক্ত করতে বাঙালী অস্ত্র হাতে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলো, সেই ভাষণের দৃশ্যপটের আদলে নির্মিত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্য। ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের পাশে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়া এলাকায় এই ভস্কির্যটির অবস্থান।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫৩ ফুট উঁচু এই ভাস্কর্যটি স¤পূর্ণ ব্যক্তি উদ্যোগে স্থাপন করেছেন প্রয়াত জাতীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব ডা. ক্যাপ্টেন (অবঃ) মজিবুর রহমান ফকির। কলতাপাড়া বাজারের নিজ কার্যালয় সেবালয় ও নির্মিতব্য বৃদ্ধাশ্রমের সামনেই নির্মাণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যটি।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিনন্দন ও দেশের সর্বোচ্চ এই ভাস্কর্যটি নির্মাণ শিল্পী এম এ মাসুদ। শিল্পী এমএ মাসুদ বলেন, মাটি থেকে প্রায় ৬তলা ভবনের সমান উঁচু ৫৩ ফুট বঙ্গবন্ধুর এ ভাস্কর্যটি নির্মিত হয়েছে সাদা সিমেন্ট ও সাদা মোজাইক পাথর দিয়ে। এর গোড়ার প্রস্থ ১৫ ফুট। ভাস্কর্যটিতে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের রেসকোর্স ময়দানের ঐতিহাসিক ভাষণের দৃশ্যে বঙ্গবন্ধুকে দেখানো হয়েছে। এতে প্রায় ৭০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে বলে জানা গেছে। ৭ মাসে তিনি ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শেষ করেছেন।

এখানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পারিবারিক ফটো গ্যালারিও করা হয়েছে। এ ভাস্কর্যটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে বঙ্গবন্ধু ভক্তরা আসছেন। ভাস্কর্যটি নির্মাণের প্রেক্ষাপট হিসেবে প্রয়াত জাতীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মুজিবুর রহমান ফকির বলেছিলেন, যে নেতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। যে নেতার ডাকে আমারা জীবন বাজি রেখে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়েছিলাম। সেই মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মূলত ৭মার্চের ভাষণেই মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। তাই সেই ঐতিহাসিক ৭মার্চের দৃশ্যপটেই মহান নেতার এই ভাস্কর্যটি স্থাপনে তিনি উদ্যোগি হয়েছেন।

গৌরীপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. আবদুর রহিম বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ডাকে বাঙালি জাতি স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। এটির সূচনা হয়েছিল ৭ মার্চের ভাষণ থেকে। নিজ উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য স্থাপন করে
বঙ্গবন্ধু স¤পর্কে জানার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও সাবেক এমপি ডা. মুজিবুর রহমান ফকির। বঙ্গবন্ধুর এ ভাস্কর্যটি নতুন প্রজন্মের মাঝে উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। ভাস্কর্যটি সংরক্ষণের জন্য সরকারের মুক্তিযুদ্ধ অথবা সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্ধসঢ়;বান জানিয়েছেন।

গৌরীপুরে নির্মিত ৭মার্চের ভাষণের আদলে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গবন্ধু চত্বরে নির্মিত বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার ভাস্কর্য সংরক্ষণের জন্য স্থানীয় সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘বাংলা মঞ্চ’ ইতিমধ্যে সরকারের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপি পেশ ও মানব বন্ধন করেছে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

জাতীয় বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image
banner image