• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৮ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ; ১২ জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image
website logo

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ হচ্ছে: প্রেস কাউন্সিল চেয়ারম্যান


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: শুক্রবার, ০২ জুন, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, ০১:৪০ পিএম
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ হচ্ছে
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম

বেলায়েত হোসেন, নওগাঁ প্রতিনিধি: ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অপপ্রয়োগ হচ্ছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি নিজামুল হক নাসিম বলেছেন, এই আইনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে এই আইনের অধীনে মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বাছবিচারহীনভাবে জামিন না দেওয়া। জামিন অযোগ্য বলেই জামিন দেওয়া যাবে না, এটা সবক্ষেত্রে ঠিক নয়। এই আইনেও জামিন দেওয়া যাবে। বিচারক তাঁর বিবেচনা প্রয়োগ করে যদি মনে করেন, তিনি জামিন দেবেন সেটা করতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নওগাঁ সার্কিট হাউস মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আয়োজিত ‘প্রেস কাউন্সিল আইন ১৯৭৪ ও আচরণবিধি এবং তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অবহিতকরণ’ শীর্ষক সেমিনার ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

নিজামুল হক বলেন, অনেকেই মনে করছেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন হুবহু থাকবে, কারও দাবি বাতিল করতে হবে, ‘আবার কেউ বলছে এটা সংশোধন করতে হবে। আমি মনে করি, এই আইনের প্রয়োজন আছে। তবে আইনের মিসইউজ (অপপ্রয়োগ) হচ্ছে। এই আইনের সবচেয়ে বড় সমালোচনা হচ্ছে এর অধিকাংশ ধারাই জামিন অযোগ্য। তবে জামিন অযোগ্য মানে এটা নয় যে জামিন পাবে না। জামিন অযোগ্য মামলায় জামিন দেওয়া যাবে না এটা সবক্ষেত্রে ঠিক নয়। এটা কোর্টের অথরিটি (কর্তৃত্ব)। বিচারক সাহেব জামিন দিতেও পারেন, নাও পারেন। আমি আশা করব, যারা এই আইনটি প্রয়োগ করবেন, তারা যেন মানুষ হয়রানির শিকার হয়, এমন আদেশ না দেন।’

সারাদেশের সাংবাদিকদের তালিকা মূল্যায়ন করা হবে এবং এ মূল্যায়ন একটি চলমান প্রক্রিয়া হবে বলেও জানান প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, ‘সারাদেশের সাংবাদিকদের তালিকা করা একটু সময়সাপেক্ষ হলেও এ প্রক্রিয়ায় প্রকৃত সাংবাদিকরা বেরিয়ে আসবে। ডাটাবেজ তৈরির জন্য এরই মধ্যে জেলা প্রশাসক ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদকদের চিঠি দেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে ২২টি জেলার সাংবাদিকদের তালিকা পাওয়া গেছে।’

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় নিজামুল হক বলেন,‘যারা সাংবাদিকতা করবেন তাদের প্রথম পেশা সাংবাদিকতাই হতে হবে। দ্বিতীয় পেশা অন্য কিছু হতে পারে। যিনি সাংবাদিকতা করবেন তাকে মিনিমাম গ্রাজুয়েট হতে হবে অথবা সাংবাদিকতায় পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।’  

অনুষ্ঠানে প্রেস কাউন্সিল আইন ও তথ্য অধিকার আইন সম্পর্কিত আলোচনা শেষে সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতা, নীতিমালা, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, অপেশাদারি ও অপসাংবাদিকতা, সাংবাদিকদের  বেতন-ভাতা, নিরাপত্তাসহ সাংবাদিকদের সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন নওগাঁর সাংবাদিকেরা।

সভায় নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মিল্টন চন্দ্র রায়ের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব মো. মাসুদ খাঁন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান, জেলা তথ্য অফিসের উপ পরিচালক আবু সালেহ মো: মাকসুদুল হাসান প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় নওগাঁর কর্মরত প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক মিডিয়া, অনলাইন পোর্টাল ও বিভিন্ন সংবাদ সংস্থার নওগাঁর জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকানিউজ২৪.কম / কেএন

আরো পড়ুন

banner image
banner image