• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ বঙ্গাব্দ; ০৮ ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ
  • সরকারি নিবন্ধন নং ৬৮

Advertise your products here

banner image

লি কিয়াং চীনের নতুন প্রধানমন্ত্রী


ঢাকানিউজ২৪.কম ; প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১২:০২ পিএম
লিকে আরো উচ্চতম আসনে উঠিয়েছেন।
লি কিয়াং

নিউজ ডেস্ক:  দিন কয়েক আগেও লি কিয়াং নামটি চীনের বাইরে কম মানুষই জানত। অথচ তিনিই হতে চলছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর পর চীনের দ্বিতীয় ক্ষমতাধর ব্যক্তি। চীনের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী। স্বাভাবিকভাবেই বিশ্বরাজনীতিতে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ওঠে এসেছেন তিনি। কিন্তু কে এই লি কিয়াং?

১৯৮৩ সালে চাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়েছিলেন লি। তারপর একের পর এক নাটকীয় পরিবর্তন আসে রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে। ইয়ংকাং শহরে কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদকের পদ লাভ করেন। ২০০৫ সালে প্রিভিন্সিয়াল পার্টির কার্যকরী পরিষদে যোগ দেন। সেই সময়ে শি জিনপিং-এর সঙ্গে ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পায়। জিয়াংসু প্রদেশে দলের সাধারণ সম্পাদক পদে আসীন হন ২০১৬ সালে। চীনের আঞ্চলিক পদগুলোর মধ্যে এই পদ সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হিসেবে থেকেছে। ২০১৭ সালে দলের ১৯তম সম্মেলনে তাকে সাংহাইয়ের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করা হয়। সাংহাই চীনের রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরির কুঁড়েঘর। তার আগে বয়োজ্যেষ্ঠ অনেক নেতাই উঠে এসেছেন সাংহাই থেকে।

চীনের জেইজিয়াং প্রদেশে ১৯৫৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন লি কিয়াং। জেইজিয়াং এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটিতে ১৯৭৮ সাল থেকে ১৯৮২ সাল অব্দি পড়াশোনা করেছেন এগ্রিকালচারাল মেকানাইজেশন নিয়ে। ১৯৮৭ সালে বেইজিং থেকে সোশিওলজি, ১৯৯৭ সালে জেইজিয়াং ইউনিভার্সিটি থেকে ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ২০০৪ সালে সেন্ট্রাল পার্টি স্কুল থেকে ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক্স নিয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৫ সালে হংকং পলিটেকনিক ইউনিভার্সিটি থেকে লাভ করেন এমবিএ ডিগ্রি।

২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল অব্দি দলের প্রধান হয়ে জেইজিয়াং চালিয়েছেন শি জিনপিং। সেখানে তার চিফ অব স্টাফ ছিলেন লি। আঞ্চলিক শক্তি বৃদ্ধিতে দল ও অঞ্চলকে একসঙ্গে এগিয়ে নেন। পরবর্তীতে শি জিনপিং-এর তত্ত্বাবধানে লি শি এবং কাউ কি মিলে প্রতিষ্ঠা করেন ‘নিউ জিজিয়াং আর্মি’। বলে রাখা ভালো, শি জিনপিং-এর আদর্শ অনুসারী ও ঘনিষ্ঠজনেরা এর অন্তর্ভূক্ত। শির অনেক সফরেরই সঙ্গী থাকতেন তিনি। অনেক বক্তব্য সম্পাদনা করে দিয়েছেন। অংশগ্রহণ করেছেন অনেক রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে। শি জিনপিংই একের পর এক পদোন্নতি ও দলের বৃহত্তর দায়িত্ব দিয়ে লিকে আরো উচ্চতম আসনে উঠিয়েছেন।

তার রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীদের অনুকূলে হবার কারণে বণিক শ্রেণির ওপর তার ভালো প্রভাব তৈরি হয়। গত ২০তম সম্মেলনে তিনি জায়গা পেলেন চীনের শীর্ষ সাতজন সিদ্ধান্তদাতার দল পলিটব্যুরোতে। অবশ্য কভিড চলাকালে তার দুই মাসব্যাপী লকডাউনের সিদ্ধান্ত জনমনে অসন্তোষের জন্ম দিয়েছিল। তবে তার এই রাজনৈতিক উল্লম্ফনে শি জিনপিং-এর প্রতি তার আনুগত্য অন্যতম নিয়ামক। লি এমন কেউ, যাকে শি অনায়াসে ভরসা করতে পারেন। তাছাড়া অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও চীনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে লিকে প্রয়োজন বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অনেকে।

ঢাকানিউজ২৪.কম /

আর্ন্তজাতিক বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ

banner image